ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বাড়ছে বিনিয়োগের আশা

বাড়ছে বিনিয়োগের আশা

দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার পর বাংলাদেশে আবারও বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ তৈরি হতে শুরু করেছে। নতুন সরকারের ধারাবাহিক নীতিগত সিদ্ধান্ত, ব্যবসা সহজীকরণের উদ্যোগ, শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে একের পর এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

বিশেষ করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ গঠন, একক ডিজিটাল সেবার ব্যবস্থা, লাইসেন্স ও কোম্পানি নিবন্ধনের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা, নতুন শিল্পনগরী ও অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল এবং ৬০ হাজার কোটি টাকার স্টিমুলাস প্যাকেজ; সব মিলিয়ে সরকার বিনিয়োগকেন্দ্রিক অর্থনীতি গড়ে তোলার যে রূপরেখা দিয়েছে, তা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অর্থনীতিবিদ ও শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, দীর্ঘদিন পর সরকারের নীতিতে বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে শুধু ঘোষণা নয়, এসব উদ্যোগের দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নই নির্ধারণ করবে, এ আস্থা কতটা টেকসই হবে।

দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাত এখন বড় ধরনের পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাসে প্রায় ৭০টি নতুন কারখানা চালু হয়েছে বা উৎপাদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব কারখানায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, নতুন বিনিয়োগের ধরনও বদলাচ্ছে। আগে যেখানে সাধারণ পোশাক উৎপাদনে বেশি গুরুত্ব ছিল, এখন সেখানে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ, ম্যান-মেইড ফাইবার, উচ্চমূল্যের অ্যাকসেসরিজ, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন এবং আমদানি বিকল্প শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ছে।

এনভয় গ্রুপ নতুন সুতা ও কৃত্রিম তন্তুর কারখানা স্থাপন করছে। হা-মীম গ্রুপ চীনা অংশীদারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বৃহৎ অ্যাকসেসরিজ কারখানা চালু করেছে। ডিবিএল গ্রুপও অন্তর্বাস ও উচ্চমূল্যের পোশাক উপকরণ উৎপাদনে নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু নতুন কারখানা নয়; বরং শিল্পের গুণগত রূপান্তরেরও ইঙ্গিত।

ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, নতুন সরকারের ধারাবাহিক নীতিগত পদক্ষেপ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর জন্য প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রফতানিতে নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। কয়েকটি খাতে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান মনে করেন, বাজারে পুরোনো প্রতিষ্ঠানের জায়গায় নতুন প্রতিষ্ঠান আসা একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া। তবে গত দুই বছরে শিল্প খাত যে ধাক্কা খেয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে সরকারের নতুন নীতিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার বলেন, সরকারের সদিচ্ছা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। তবে এ উদ্যোগগুলোর বাস্তব প্রভাব দেখতে হলে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ আইন। এ আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) এবং সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ কার্যক্রমকে একীভূত করে একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকেই প্রয়োজনীয় অধিকাংশ সেবা পাবেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ত্রুটিমুক্ত আবেদন জমা দেওয়ার ৭ দিনের মধ্যে লাইসেন্স ও অনুমোদন দিতে হবে; কোম্পানি নিবন্ধন সম্পন্ন হবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সংস্থা সিদ্ধান্ত না দিলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সম্পূর্ণ অনলাইন ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ ও ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ চালু করা হবে।

বিদেশি দক্ষ কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট ৭ দিনের এবং ভিসা ১০ দিনের মধ্যে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব উদ্যোগ কার্যকর হলে দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অনেকটাই কমে আসবে।

ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগ দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। তার মতে, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থা থাকায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের একই ধরনের সেবা পেতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। এতে সময় ও ব্যয় যেমন বেড়েছে, তেমনি সিদ্ধান্ত গ্রহণেও দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, একটি দেশে বিনিয়োগের জন্য একাধিক কর্তৃপক্ষ থাকার ফলে বিনিয়োগকারীরা প্রায়ই বিভ্রান্তির মুখে পড়েন। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অনেক সময় বুঝতে পারেন না কোন বিষয়ে বিডার কাছে যেতে হবে, কোনটি বেজার দায়িত্ব, আবার কোনটি পিপিপি বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন। দেশীয় উদ্যোক্তারাও একই সমস্যার সম্মুখীন হন। ফলে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ হয়, লেনদেন ব্যয় বাড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে হয়রানিরও সৃষ্টি হয়। আবু আহমেদ বলেন, বিডা, বেজা ও পিপিপি কর্তৃপক্ষকে একীভূত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’ গঠন করা হলে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সেবাগুলো একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় চলে আসবে। এতে অনুমোদন, লাইসেন্স, ছাড়পত্র ও অন্যান্য প্রশাসনিক সেবা দ্রুত এবং একই প্ল্যাটফর্ম থেকে পাওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও শক্তিশালী হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার একই সঙ্গে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা, ডিজিটাল ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা এবং ব্যবসা সহজীকরণের যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও বাংলাদেশ আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে। এর ইতিবাচক প্রভাব শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও প্রতিফলিত হবে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, শুধু নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন বা নীতিগত ঘোষণা যথেষ্ট নয়। বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন বাস্তবায়নকে। যদি ঘোষিত সংস্কারগুলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দক্ষতার সঙ্গে কার্যকর করা যায়, তাহলে আগামী কয়েক বছরে দেশে দেশীয় ও বিদেশি-উভয় ধরনের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকার পটুয়াখালী ও যশোরে নতুন শিল্পনগরী গড়ে তুলছে। এসব শিল্পনগরীতে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, চাঁদপুর ও কুষ্টিয়ায় নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু হয়েছে। এ ছাড়া ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য পৃথক বিনিয়োগ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।

বেসরকারি বিনিয়োগকে গতিশীল করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আওতায় বড় শিল্প ও সেবা খাত, কৃষি, সিএমএসএমই, রফতানি বহুমুখীকরণ এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষিভিত্তিক শিল্প খাত রয়েছে। এসব খাতে সহজ শর্তে অর্থায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরকার ছয় শতাংশ সুদ ভর্তুকিও দেবে। এর মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থান তৈরির আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবৃদ্ধির হারও ছিল সবচেয়ে বেশি। যদিও মোট বিনিয়োগের পরিমাণ এখনো বাংলাদেশের অর্থনীতির আকারের তুলনায় কম, তবু দীর্ঘদিনের পতনের পর এ প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ প্রবৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে আগে থেকেই বাংলাদেশে থাকা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পুনর্বিনিয়োগ থেকে। অর্থাৎ বিদ্যমান বিনিয়োগকারীরা এখনো বাংলাদেশের সম্ভাবনার ওপর আস্থা রাখছেন। তবে নতুন গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ-যেখানে বিদেশি প্রতিষ্ঠান নতুন কারখানা বা শিল্প স্থাপন করে; সেটি এখনো প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়েনি। ফলে নতুন বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সংস্কারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বিদেশি বিনিয়োগের চেয়ে দেশীয় বিনিয়োগই বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে দেশীয় বেসরকারি বিনিয়োগ থেকে, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগের অবদান এখনো এক শতাংশেরও অনেক নিচে। তাই দেশীয় উদ্যোক্তারা যখন নতুন কারখানা, প্রযুক্তি ও উৎপাদন সম্প্রসারণে এগিয়ে আসবেন, তখন সেটিই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে সবচেয়ে শক্তিশালী ইতিবাচক বার্তা হিসেবে কাজ করবে।

তবে আশাবাদের পাশাপাশি কিছু বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকঋণের সুদের হার অনেক উদ্যোক্তার কাছে এখনো বেশি। অনেক নতুন উদ্যোক্তা তাই নিজস্ব মূলধন দিয়ে ব্যবসা শুরু করছেন। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ, আর্থিক খাতের সুশাসন, ডলারের স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, দ্রুত প্রশাসনিক সেবা এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ- এসব বিষয়েও বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেখতে চান। অর্থনীতিবিদদের মতে, বিনিয়োগকারীরা শুধু নতুন ঘোষণা দেখেন না; তারা দেখেন ঘোষণাগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। শিল্প সম্প্রসারণ, নতুন কারখানা, বিনিয়োগবান্ধব আইন, ডিজিটাল সেবা, কর সুবিধা, নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগ; সব মিলিয়ে আগামী কয়েক বছরে বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে তারা একই সঙ্গে সতর্কও করছেন, কেবল নীতিগত ঘোষণা দিয়ে বিনিয়োগ আসে না। বিনিয়োগ আসে তখনই, যখন বিনিয়োগকারীরা নিশ্চিত হন যে নীতির ধারাবাহিকতা থাকবে, প্রশাসনিক জটিলতা কমবে, আর্থিক খাত স্থিতিশীল হবে এবং প্রতিশ্রুতি সংস্কার বাস্তবে কার্যকর হবে।

অর্থাৎ বাংলাদেশের সামনে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যদি সরকার ঘোষিত সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে পারে, তাহলে দেশীয় ও বিদেশি-উভয় ধরনের বিনিয়োগই উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। আর বিনিয়োগ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তরের পথও আরও শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত