ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

সিলেট ও চট্টগ্রামে স্থায়ী ভেন্যু পাচ্ছে বাফুফে

সিলেট ও চট্টগ্রামে স্থায়ী ভেন্যু পাচ্ছে বাফুফে

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) স্থায়ী ভেন্যু নেই। দীর্ঘ দিন ধরেই এ আক্ষেপে পুড়ছে সংস্থাটি। অবশেষে সে আক্ষেপ ঘুচতে যাচ্ছে। এমন আশ্বাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা প্রফেসর আসিফ নজরুল। দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম বাফুফে ভবনে এলেন তিনি। গতকাল সোমবার বাফুফে কর্তাদের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, সিলেট ও চট্টগ্রামের স্টেডিয়াম পুরোপুরি ফুটবলকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ সংস্থাটির অনান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফুটবলের সাম্প্রতিক সময়ের সাফল্য, বিশেষ করে ভারতকে হারানো, কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের কার্যক্রমসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন আসিফ নজরুল।

আলোচনায় অবশ্য প্রাধান্য পেয়েছে ফুটবলের জন্য ‘ডেডিকেটেড’ স্টেডিয়াম। ফুটবলের জন্য ফিফা টায়ার-১ ক্যাটাগরির স্টেডিয়ামে মূলত দেশে আছে দুটি-বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা ও জাতীয় স্টেডিয়াম। জাতীয় স্টেডিয়ামে অবশ্য ফুটবলের বাইরে আর্চারি, অ্যাথলেটিক্সসহ অনান্য খেলাও অনুষ্ঠিত হয়।

ফুটবলের জন্য আরও কয়েকটি স্টেডিয়ামের দাবি তাই ছিল অনেক দিনের। সে দাবিও কিছুটা মেটানোর কথা জানালেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। ‘আজকে আমার কাছে উনাদের কিছু দাবি-দাওয়া ছিল। আমি খুব অল্প দিনের জন্য আছি, কিন্তু তারপরও আমার কাছে মনে হয়েছে কয়েকটা বিষয়ে আমরা উনাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছি।

একটা হচ্ছে ঢাকা স্টেডিয়াম যেটা আছে, এটা সম্পূর্ণভাবে ফুটবলকে দিয়ে দেওয়া। তবে অন্যান্য যে খেলাধুলা আছে ক্রিকেট ছাড়া, তাদের আয়োজনের প্রয়োজন হলে সেখানে আয়োজন করবে। যদি তারা অন্য কোথাও উদাহরণসরূপ পূর্বাচল স্টেডিয়াম বা অন্য কোথাও যদি তারা জায়গা পেয়ে সরে যায় তখন এটা সম্পূর্ণ ফুটবলের হয়ে যাবে।’ তিনি বলেন, ‘এছাড়া সিলেট এবং চিটাগাং (চট্টগ্রাম) স্টেডিয়াম, এগুলো ডেডিকেটেড ওয়েতে ফুটবলকে দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। তবে শর্ত আছে, ক্রিকেট ছাড়া অন্যান্য খেলার যদি টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রয়োজন পড়ে, উনারা সেখানে আয়োজন করতে দেবেন।’

কমলাপুর স্টেডিয়ামের মাঠের দায়িত্বভারের পাশাপাশি গ্যালারি, ডরমেটরির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও বাফুফেকে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। ‘আমাদের কমলাপুরে যে স্টেডিয়ামটা আছে, সেখানে শুধু মাঠের দায়িত্বভার ফুটবলকে দেওয়া হয়েছিল, এখন গ্যালারির দায়িত্বভারও দেওয়া হয়েছে। সেখানে যে ডরমিটরি আছে, সেটাও রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা করবে ফুটবল ফেডারেশন, কিন্তু ওখানে অ্যালোকেশন দেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে।’

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত