
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরেকটি দুঃসংবাদ এল। সাবেক খেলোয়াড় মোস্তফা কামাল ও গোলকিপার রণজিৎ দাসের মৃত্যুও শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আরেকটি মৃত্যুর সংবাদ হাজির হল। মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল আরও একটি নাম। দেশের বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও প্রশাসক লে. কর্নেল (অব.) এমএ লতিফ খান মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার বদলের পর ক্রীড়াঙ্গনে বিভিন্ন ফেডারেশনে সংস্কারের অংশ হিসেবে তাকে বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। মৃত্যুর আগপর্যন্ত সেই দায়িত্বে ছিলেন এমএ লতিফ। বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস খান জানিয়েছেন, ‘কিছুদিন আগে নওগাঁয় নিজের বাড়িতে স্যার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বগুড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১০-১২ দিন আগে তাকে ঢাকায় আনা হয়।’
এমএ লতিফের লাশ বর্তমানে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে রাখা আছে। আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর বারিধারায় জানাযা হওয়ার কথা। একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে এমএ লতিফের সুখ্যাতি ছিল। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেনাবাহিনীতে থাকার সময় বিভিন্ন বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, পরবর্তী জীবনে আন্তর্জাতিক বক্সিং রেফারি ও জাজ হিসেবে পেয়েছেন সেরার স্বীকৃতি। লে. কর্নেল এমএ লতিফ ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্য থাকাকালে বিভিন্ন সময় তিনি গেম ডেভেলপমেন্ট, শৃঙ্খলা এবং টেন্ডার ও পারচেজ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ছিলেন এমএ লতিফ। ছবিতে তৎকালীন প্রধান কোচ ডেভ হোয়াটমোরের পাশে দাঁড়ান। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ছিলেন এমএ লতিফ।