ঢাকা শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

‘আমরা হারিয়ে যেতে আসিনি’

‘আমরা হারিয়ে যেতে আসিনি’

এক সময় পাইওনিয়ার লিগে খেলতো চট্টগ্রাম বয়েজ ক্লাব। এবার নাম পাল্টে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে প্রথমবার অংশ নিয়েই বাজিমাত করেছে চট্টগ্রাম সিটি ফুটবল ক্লাব। নগর প্রতিদ্বন্দ্বি চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ক্লাবটি।

এমন সাফল্যের পর ক্লাবটিতে বইছে আনন্দের ঢেউ। তবে একই সঙ্গে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম হচ্ছে না। ১৫ ম্যাচে ১১ জয়ে চট্টগ্রাম সিটির সংগ্রহ এখন ৩৬ পয়েন্ট। টেবিলের তিনে থাকা ঢাকা ওয়ান্ডার্সের (১৪ ম্যাচে ২০) আর সুযোগ নেই চট্টগ্রাম সিটিকে ছোঁয়ার বা টপকে যাওয়ার। শেষ তিন ম্যাচের দুটি জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে শীর্ষ লিগে খেলার পথ খুলে যাবে তাদের। টেবিলের দুইয়ে থাকা সিটি ক্লাবের চেয়ে চট্টগ্রাম সিটি এগিয়ে আছে ৯ পয়েন্টে, যদিও সিটি ক্লাব একটি ম্যাচ কম খেলেছে।

ক্লাবটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, যিনি সাবেক ফুটবলার- ডিফেন্ডার হিসেবে ৭ বছর খেলেছেন আবাহনী লিমিটেডে। দল নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল পেশাদার স্তরের মূল পর্বে খেলা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা ভালো দল গড়েছি। খেলোয়াড়দের ভালো পারিশ্রমিক দিয়েছি, আর তার ফলও পেয়েছি। এখন বাকি তিন ম্যাচ ভালোভাবে শেষ করে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ নিয়ে ভাবতে চাই।’

চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে এবার ম্যাচ ফিক্সিং ইস্যুতে আলোচনা-সমালোচনা ছিল তুঙ্গে। তবে এ বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ফুটবলে এসেছি টিকে থাকার জন্য, হারিয়ে যেতে নয়। আর ম্যাচ ফিক্সিং আমরা করবো কেন? আমরা ম্যাচ ফিক্সিং করিনি, এমন প্রশ্নই আসে না। ভালো পারিশ্রমিক দিয়ে খেলোয়াড় এনে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেয়েছি। এখানে অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই।’ চট্টগ্রামের এই দলটিতে স্থানীয় ১৫ জন খেলোয়াড় রয়েছেন। ক্লাবটির অবস্থান চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘চট্টগ্রামের বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। আমরা চাই, সামনে বাংলাদেশ ফুটবল লিগে আরও শক্তিশালী দল গড়ে ভালোভাবে টিকে থাকতে।’

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত