ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সফল হৃদয়

আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সফল হৃদয়

জোরের ওপর করা ডেলিভারিটিতে জায়গা বের করতে পারেননি তাওহিদ হৃদয়। পারেননি রান নিতে। সেটি ছিল তার প্রথম বল। একটু পর দেখা গেল অন্য হৃদয়কে।

বাউন্ডারি মারলেন বেন লিস্টারকে। স্লগ সুইপে ছক্কায় ওড়ালেন ইশ সোধিকে। সাফল করে বল সীমানা ছাড়া করলেন জশ ক্লার্কসনের ডেলিভারি। শুরুর সেই ঝড় ধরে রাখলেন তিনি পরেও। দারুণ ফিফটিতে ম্যাচ জিতিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান বললেন, শুরু থেকে আক্রমণের ভাবনা নিয়েই তিনি মাঠে নেমেছিলেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৮৩ রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা খুব আশাপ্রদ ছিল না। ৯ ওভারে দলের রান ছিল ৬৬। সেই দলই পরের ৯ ওভারে তোলে ১১৭ রান! ২৭ বলে ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হন হৃদয়। প্রথম বলটির পর আর স্রেফ একটি ডেলিভারিতে রান করতে পারেননি তিনি। তার সঙ্গে ম্যাচের চিত্র বদলে দেওয়ায় ভূমিকা রাখেন পারভেজ হোসেন ইমন (১৪ বলে ২৮)। শেষ দিকে তাণ্ডব চালান শামীম হোসেন (১৩ বলে ৩১*)।

ম্যাচের পর হৃদয় বললেন, রান তাড়ার শুরুটা ভালো না হওয়ায় বাড়তি দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে নেন তিনি। ‘এটা তো ক্রিকেট খেলা, একদিন পাওয়ার প্লে ভালো হবে, একদিন মিডল অর্ডার খারাপ হবে, এমন। যেদিন পাওয়ার প্লে ভালো হবে না, সেদিন অবশ্যই মিডল অর্ডারের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আবার যেদিন পাওয়ার প্লে ভালো করে, সেদিনও থাকে। এটা যেহেতু দলীয় খেলা, সবসময় সবাই ভালো করবে না, এটাই খুব স্বাভাবিক। তারপরও আমরা ভালোভাবে কাভার করেছি আমাদের জন্য।’

অনেকবারই দেখা গেছে, ক্রিজে গিয়ে খানিকটা সময় নেন হৃদয়। কিন্তু সেই সময় নেওয়ার সুযোগ যে এ দিন নেই, তা তিনি বুঝে গিয়েছিলেন। তিনি মাঠে নামার সময় জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ওভারপ্রতি সাড়ে দশের বেশি রান। তাই শুরু থেকেই ঝড় তোলার ভাবনায় তিনি ক্রিজে যান। ‘লিটন ভাই আউট হওয়ার পরে নেমেছি। আমার সাধারণ পরিকল্পনা যেটা, দলের কী চাওয়া ওই পরিস্থিতিতে, রান দরকার ছিল, রান একটু কম হয়ে গিয়েছিল ওই সময়টাতে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত