
অফ স্টাম্পের বাইরের গতিময় ডেলিভারিটি ব্যাটে বাতাস লাগিয়ে গেল যেন। উইকেটের পেছন থেকে মৃদু আবেদন হলো। বোলার নাহিদ রানা আবেদন করতে গিয়েও থেমে গেল। তার ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল হাসি। একটুর জন্য হলো না ৭ উইকেট! তবে যা হলো, তাতেই তিনি চুরমার করে দিলেন রেকর্ড। জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টে বিশ্রামে ছিলেন নাহিদ। স্বস্তিতে ছিল ব্যাটসম্যানরা। ওয়ানডে সিরিজের শুরুতেই তার গতির আগুনে পুড়ে খাক প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা বোলিং কীর্তি এখন তার। গতকাল সোমবার হারারেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নাহিদের বোলিং ফিগার ১০-২-২১-৬। পেছনে ফেলে দিয়েছেন তিনি মাশরাফি বিন মুর্তজা ও রুবেল হোসেনের যৌথ রেকর্ড। ওয়ানডেতে ৬ উইকেট শিকারি বাংলাদেশের প্রথম বোলার ছিলেন মাশরাফি। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬ রানে নিয়েছিলেন তিনি ৬ উইকেট। ২০১৩ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুরে ২৬ রানেই ৬ উইকেট নেন রুবেল। দুই পূর্বসূরীকে এবার ছাড়িয়ে গেলেন নাহিদ। মাশরাফির সেই বোলিং পারফরম্যান্স ছিল নাইরোবিতে। দেশের বাইরে বাংলাদেশের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডও তাই এখন নাহিদেরই। মাত্র ১৪ ওয়ানডের ক্যারিয়ারেই ৩ ম্যাচে ৫ উইকেটের স্বাদ পেলেন নাহিদ।