
জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) শুরুর আগে মাঠের লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে প্রথম পরীক্ষাতেই ধাক্কা খেলেন একাধিক ক্রিকেটার। শরীরের সক্ষমতার পরীক্ষায় দশের বেশি ক্রিকেটার কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেননি। তবে এই ব্যর্থতাকে শেষ সুযোগ হিসেবে দেখছে না বিসিবি। ফিটনেস ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার জন্য মিলছে আরও একাধিক সুযোগ!
এনসিএল শুরুর আগে ব্যাট-বলের লড়াইয়ের প্রস্তুতির পাশাপাশি চলছে শরীরের সক্ষমতা যাচাই। সেই পরীক্ষার প্রথম ধাপেই দেখা গেল কিছুটা অস্বস্তির ছবি। আজ মঙ্গলবার ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহের ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপের পরীক্ষায় দশের বেশি ক্রিকেটার কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেননি! তবে ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়াকে আপাতত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে না বিসিবি। হাতে থাকছে একাধিক সুযোগ। ১০ দিন পর আবার পরীক্ষা হবে। সেখানেও ব্যর্থ হলে আরও ১০ দিন পর ফের পরীক্ষার সুযোগ পাবেন সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা। ফিটনেসে ঘাটতি থাকা ক্রিকেটারদের দ্রুত ছন্দে ফেরাতে সময় ও সহায়তা-দুটিই দিতে চাইছে ট্রেনিং বিভাগ।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বোর্ডের (বিসিবি) ট্রেনার ইফতেখার ইফতি বলেন, 'কেউ যদি ফেল করে বা অসুস্থ থাকতে পারে এক্ষেত্রে ১০ দিন পর আমরা আরেকটা টেস্ট নিব। যদি তারপরেও তারা ব্যর্থ হয়, আরও ১০ দিন পর আমরা আরেকটা টেস্ট নিব।' ফিটনেসে পিছিয়ে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি, 'যারা ফেল করবে তাদেরকে আমরা খুব বেশি মনোযোগ দিব ফিটনেসে। তাদের দায়িত্ব আমরাই কিছুটা নিব। ফেল করলে শেষ পর্যন্ত কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই। তাকে পাস করানোর ব্যবস্থা করব। সেই ক্ষেত্রে তার ফিটনেসের পরিমাণ বাড়বে, দক্ষতা বাড়বে। এক্ষেত্রে এনসিএলে খেলতে পারবে কি পারবে না, বোর্ডের সিদ্ধান্ত।'
এবার পরীক্ষার মানদণ্ডও আগের তুলনায় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ইফতি জানালেন, 'এবার মানদণ্ড আমাদের ঠিক করা হয়েছে ৭.২০ একটা গ্রুপের জন্য। ফাস্ট বোলারদের জন্য ৭। পেসারদের জন্য করা হয়েছে ৭.২০। আস্তে আস্তে হয়তো আমরা কমায় নিয়ে আসব।'
ফিটনেস ধরে রাখার ক্ষেত্রে খাবারের অভ্যাসকে বড় বিষয় হিসেবে দেখছেন ইফতি। বাইরে খেলতে গেলে অনেক সময় ক্রিকেটাররা নির্ধারিত খাদ্যাভ্যাস ধরে রাখতে পারেন না বলেও জানান তিনি। তবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেসে উন্নতি দেখছেন এই ট্রেনার। সামনে খাবার, প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা ও ট্রেনারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগে আরও গুরুত্ব দেওয়া গেলে ফল আরও ভালো হবে বলে মনে করছেন তিনি।