ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

আল্লাহর অলির সাক্ষাতে দুনিয়ার বাদশাহ

ড. মওলানা মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী
আল্লাহর অলির সাক্ষাতে দুনিয়ার বাদশাহ

দাস্ত বোগশাদ ও কেনারানাশ গেরেফ্ত্

হামচো এশ্ক আন্দার দিল ও জানাশ্ গেরেফত

৯৩. দুই হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরলেন তাকে

প্রেমের মতই আসন দিলেন প্রাণ ও হৃদয়ের মাঝে।

দাস্তÍ ও পীশানীশ বুসীদান গেরেফ্ত্

আয মকাম ও রাহ পুরসীদান গেরেফ্ত

৯৪. তার হাত ও কপালে চুমোর পর চুমো আঁকতে লাগলেন,

বাড়ি কোথায়? কীভাবে এলেন-জিজ্ঞেস করেন একে একে।

র্পুস র্পুসান মী কাশীদাশ তা বে সাদ্র

গোফত্ গাঞ্জী য়াফতাম আখের বে সাব্র

৯৫. জিজ্ঞেস করতে করতে নিয়ে গেলেন সভার মধ্যখানে

বললেন : বড় রত্নখনি পেয়েছি শেষে ধৈর্যের কল্যাণে।

সাব্র তাল্খ আমাদ ওয়া লেকীন আকেবাত

মীওয়ায়ে শিরীন দাহাদ পুর মুনফাআত

ক.ম. ধৈর্য তিতা কিন্তু পরিণাম বিচারে

ফল দেয় সুমিষ্ট বড় উপাদেয়।

গোফ্ত্ এই হাদিয়ায়ে হাক ও দাফএ হারাজ

মা-নিয়ে আস-সাব্রু মেফতাহুল ফারাজ

৯৬. বললেন : ওহে আল্লাহর দান দুঃখ হরণকারী

‘ধৈর্য মুক্তির চাবি’-এ হাদিসের মর্মার্থ তুমি।

এই লেকায়ে তু জাওয়াবে হার সাওয়াল

মুশকিল আয্ তু হাল শাওয়াদ বী কীল ও কাল

৯৭. ওহে! যার সাক্ষাতেই নিহিত সকল প্রশ্নের জবাব

মুখে না বললেও তোমার কাছেই সব মুশকিল আসান।

মুখ খুলে কিছু বলা ছাড়াই-

তারজুমানী হারচে মারা দার দেল আস্ত

দাস্তÍগিরী হারকে পায়াশ্ দার গেল্ আস্ত

৯৮. আমাদের অন্তরের সকল কিছুর তুমিই ভাষ্যকার

কাদায় আটকা পড়েছে যার পা, সহায় তুমি তার।

মারহাবা ইয়া মুজতাবা ইয়া মুরতাযা

ইন্ তাগ¦াব জাআল কাযা দাকাল ফাযা

৯৯. স্বাগতম! ওহে বরণীয় তুমি আল্লাহর প্রিয়ভাজন

তোমার বিহনে মৃত্যু নির্ঘাত, দুনিয়াই অন্ধকার।

আন্তা মাওলাল কাওমে মান লা য়াশ্তাহী

কাদ রাদা কাল্লা লা ইন্লাম্ ইয়ান্তাহী

১০০ .কওমের অভিভাবক তুমি, যে তোমাকে অপছন্দ করে

তার জন্য ধ্বংস নির্ঘাৎ যদি সে এই পথ না ছাড়ে।

৯৬-১০০ বয়েতে আল্লাহর অলিদের মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। আরবিতে লেখা ৯৬ বয়েতের দ্বিতীয় ভাগ এবং ৯৯ ও ১০০তম বয়েত দুটি আরবি ভাষায় মওলানার অতুলনীয় পাণ্ডিত্যের পরিচায়ক। এ দুই পংক্তিতে মওলানা মুর্শিদে কামেলের সঙ্গে কেমন আন্তরিকতাপূর্ণ আচরণ করতে হয় এবং তার প্রতি কতটা সমর্পিত হতে হয়, তার দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। বুখারি শরিফে উদ্ধৃত নি¤েœর হাদিসে কুদসিতে বর্ণিত- ‘যে আমার কোনো অলির সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করবে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম।’ (বয়েত নং: ১/১৫৭৮)। এ উক্তিকে সামনে রাখলে অলি-আল্লাহর ক্ষমতা ও মর্যাদা সম্পর্কে মওলানার ব্যাখ্যা হৃদয়ঙ্গম করা সহজ হবে।

জাগতিক ও হাকিকী প্রেমের অবদান। রোগীর অবস্থা দেখার জন্য বাদশাহ হেকিমকে নিয়ে গেলেন রোগীর শিয়রে-

চোন গুযাশ্ত্ আন মাজলেস ও খানে কারাম

দাস্তে উ বেগেরেফ্ত্ ও বোর্দ আন্দার হারাম

১০১. রাজসভা ও রাজকীয় যিয়াফত সাঙ্গ হলে

হাত ধরে নিয়ে গেলেন বাদশাহ অন্দর মহলে।

কিস্সায়ে রাঞ্জুর ও রাঞ্জুরী বেখান্দ

বাদ আয আন দার পীশে রাঞ্জুরাশ্ নেশান্দ

১০২. একেক করে ব্যাখ্যা করলেন রোগী ও রোগের অবস্থা

এরপর তাকে নিয়ে বসালেন রোগিণীর সম্মুখে।

রাঙ্গ ও রূ-ও নাব্য্ ও কারুরে বেদীদ

হাম আলামাতশ ও হাম আসবাবশ শেনীদ

১০৩. (হেকিম) রোগীর রং, চেহারা, শিরা ও পেশাবের নমুনা দেখলেন, রোগের উপসর্গ ও আলামতগুলো একে একে শুনলেন।

গোফ্ত্ হার দারু কে ঈশান কার্দে আন্দ

আন এমারত নীস্ত ওয়েইরান কার্দে আন্দ

১০৪. বললেন! ডাক্তাররা যে যে ওষুধ দিয়েছেন তাতে

ভাল করা তো দূরে, একাধারে ধ্বংসই করেছেন।

বী খবর বূদান্দ আয হালে দরূন

আস্তায়ীযুল্লাহা মিম্মা য়াফতারূন

১০৫. ভেতরগত অবস্থা সম্বন্ধে তারা সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিলেন

আল্লাহ্র কাছে পানাহ চাই তাদের যত উদ্ভট কথা হতে।

দীদ রাঞ্জ ও কাশ্ফ্ শুদ বার ওয়েই নোহোফ্ত্

লে-কে পেন্হান কার্দ ও বা সুলতান ন গোফ্ত

১০৬. পরীক্ষায় তিনি গোপন রোগটি ধরতে পারলেন তবে

গোপন করে রাখলেন, বললেন না বাদশাহকে।

রাঞ্জাশ আয সাওদা ও আয সাফরা না বূদ

বূয়ে হার হেইযাম পাদীদ আয়াদ যে দূদ

১০৭. তার অসুস্থতা পিত্ত অথবা অমেøর কারণে ছিল না,

লাকড়ির ঘ্রাণ তো তার ধোঁয়া হতেই প্রকাশ পায়।

দীদ আয যারিশ কূ যারে দিলাস্ত

তান্ খোশ্ আস্ত ও উ গেরেফতারে দিলাস্ত

১০৮. তার কান্না দেখে বুঝতে পারলেন, এতো অন্তরের ক্রন্দন

শরীর ভালোই আছে, মনের রোগেই সে আক্রান্ত।

আশেকী পায়দাস্ত আয্ যারিয়্যে দিল

নীস্ত বীমারী চো বীমারিয়্যে দিল

১০৯. দিলের কান্নায় প্রকাশ পাচ্ছিল প্রেমের আসক্তি আর্তি,

অন্তরের রোগের মতো কোনো রোগ নাই, কোথাও সত্যিই।

ইল্লাতে আশেক যে ইল্লাতহা জুদাস্ত

এশ্ক্ ওস্তোরলাবে আস্রারে খোদাস্ত

১১০. প্রেমিকের যে রোগ তা অন্যসব রোগ হতে পৃথক

প্রেম তো আল্লাহ্র রহস্য দর্শনের এস্ট্রোলব।

আশেকী গার যিন্ সার ও গর যান সার আস্ত

আক্বেবাত মারা বেদান সার রাহবর আস্ত

১১১. প্রেমাসক্তি এদিকের হোক বা হোক ওদিকের

অবশেষে ওদিকেরই পথ দেখায় আমাদের।

এ পংক্তিদ্বয়ে মওলান বলতে চেয়েছেন : প্রেম যদি প্রকৃত প্রেমাস্পদ আল্লাহর প্রতি হয়, তবে তা বান্দাকে সরাসরি আল্লাহ পর্যন্ত নিয়ে যায় এবং তার মাধ্যমে আল্লাহর গুণাবলির নিগূঢ় রহস্য উদ্ঘাটনসহ তাঁর সান্নিধ্য অর্জিত হয়। অপর দিকে প্রেমাস্পদ যদি হয় জাগতিক বা মানুষ, আর আশেক বা প্রেমিক হয় আল্লাহর প্রেমাসক্ত, তাহলেও এক সময় সেই প্রেমের মাধ্যমে মাশুকে হাকিকি বা প্রকৃত প্রেমাস্পদে পৌঁছার পথ খুলে যায়।

অথবা এর অর্থ হচ্ছে, প্রেমের আকর্ষণ যদি মাশূকে হাকীকী আল্লাহর পক্ষ হতে আসে বা বান্দার পক্ষ হতে হয়, উভয় অবস্থায় সেই প্রেমাস্পদের সান্নিধ্যে নিয়ে যাবে। অর্থাৎ প্রেম অব্যর্থ মহৌষধ, সান্নিধ্যে সোপান, রহস্যজ্ঞানের এস্ট্রোলব।

হারচে গুয়াম এশ্ক্ রা শারহ্ ও বায়ান

চোন বে এশ্ক্ আয়াম খাজেল বাশাম আযান

১১২. প্রেমের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে যত কিছুই বলি না কেন

যখন প্রেমের কাছে আসি, তার কাছে নুইয়ে যাই লজ্জায়।

গারচে তাফসীরে যাবান রাওশানগার আস্ত

লে-কে এশ্কে বী যাবান রাওশান্তার আস্ত

১১৩. যদিও মুখের ভাষাই সব কিছু ব্যাখ্যা করে

তবে যে প্রেম ভাষাহীন সেটিই অধিক স্পষ্টতর।

চোন ক্বালাম্ আন্দার নেভিশ্তন্ মী শেতাফ্ত্

চোন বে এশ্ক্ব আমাদ, ক্বালাম বরখোদ শেকাফত

১১৪. কলম এতক্ষণ লেখার কাজে দ্রুত চলছিল

প্রেম প্রসঙ্গে এসে কলম নিজেই ভেঙ্গে গেল।

আক্বল দার শারহেশ চো খার দার গেল্ বখোফ্ত্

শারহে এশ্ক্ ও আশেকী হাম এশ্ক গোফত

১১৫. প্রেমের ব্যাখ্যায় আকল (বুদ্ধি) গাধার ন্যায় কাদায় আটকে গেল- প্রেম ও প্রেমাসক্তির ব্যাখ্যা স্বয়ং প্রেমই দিল।

আফতাব আমাদ দালীলে আফতাব

গার দালীলাত বায়দ আয্ ওয়াই রূ মতাব

১১৬. সূর্যের অস্তিত্বের প্রমাণ সূর্য সে নিজেই

তোমার প্রমাণ চাই তো মুখ ফিরাবে না তার থেকে।

এ বয়েতে আফতাব মানে সূর্য। এই সূর্য প্রেমের উপমা। প্রেমকে বুঝানোর জন্য কোনো দলিল-প্রমাণের দরকার হয় না। যেমন সূর্যের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্যও কোনো দলিল-প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, সূর্যের উদয়ই তার অস্তিত্বের প্রমাণ। হ্যাঁ, একান্ত প্রয়োজন না হলেও কোনো কোনো জিনিস দিয়ে আমরা সূর্যের অস্তিত্ব বুঝতে পারি, যেমন ছায়া। ছায়া দেখে আমরা বুঝতে পারি আকাশে সূর্য উদিত হয়েছে। প্রেমের মাহাত্ম্য বুঝতে সূর্যের প্রসঙ্গে এসে মওলানার মনে পড়ে গেল আসল সূর্যের কথা। এই সূর্য আফতাব নয়, আরবি পরিভাষার শাম্স্। সেই শামস বা সূর্যের পরিচয় কি?

আয ওয়েই আর সায়া নেশানী মী দাহাদ

শাম্স্ হারদাম নূরে জানী মী দাহাদ

১১৭. ছায়া তার (সূর্যের) অস্তিত্বের চিহ্ন নির্দেশ করে বটে

শাম্স্ (আসল সূর্য) প্রতি মুহূর্তে অন্তরে নূর সম্পাত করে।

ছায়া খাব আরাদ তোরা হামচোন সামার

চোন বার আয়াদ শাম্স্ এন্শাককাল কামার

১১৮. ছায়া তোমাকে ঘুম পাড়ায় রূপকথার মতো

সূর্য যখন উদিত হয় চন্দ্র বিলীন হয়ে যায়।

ছায়াকে রূপকথার গল্প বলার সঙ্গে তুলনা করেছেন মওলানা। গবেষকদের মতে যুক্তিবাদীদের যুক্তি-বিন্যাস ও দার্শনিক তত্ত্বচর্চাকে ছায়ার রূপকে প্রকাশ করেছেন। ছায়ার সাহায্যে যেমন সূর্যের অস্তিত্ব অনুভব করা যায়, তেমনি যুক্তি ও দর্শন দিয়েও আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায়, এগুলো শুনতেও ভালো লাগে রূপকথার মতো। কিন্তু কোথায় রূপকথা আর কোথায় আসল সত্য। আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে যুক্তির জাল বোনা আর পরম সত্তাকে লাভ করার তফাৎ অকল্পনীয়। যেমন- পরম সূর্য যখন উদিত হয় তখন যুক্তি, দর্শন ও বুদ্ধির চন্দ্র তিরোহিত হয়ে যায়।

খোদ গারীবী দার জাহান চোন শাম্স্ নীস্ত

শামসে জান বাকীস্ত উ রা আমস্ নীস্ত

১১৯. এ জগতে সূর্যের ন্যায় পরবাসী দ্বিতীয় আর নাই

তবে প্রাণের যে সূর্য তার কখনো অস্ত নাই।

এখানেও বস্তুজগতের সূর্যের তুলনা দিয়ে প্রাণের সূর্য মহামহিম আল্লাহ্র অস্তিত্বের মাহাত্ম্য ব্যক্ত হয়েছে।

শামস্ দার খারেজ আগারচে হাস্ত ফার্দ

মী তাওয়ান হাম মেসলে উ তাসভীর কার্দ ?

১২০. সূর্য বাইরের জগতে যদিও মাত্র একটি

কিন্তু তার মতো আরো সূর্যের কথা চিন্তা করা যায়।

অথচ-

শাম্সে জান কূ খারেজ আমাদ আয আসীর

নব্ওয়াদাশ দার যেহ্ন ও দার খারেজ নাযীর

১২১. প্রাণের সূর্য, যার অবস্থান মহাশূন্যের বাইরে

কোনো নজীর নাই তার কল্পনা ও বহির্জগতে।

কলিদে মসনবিতে প্রথম পংক্তিটি এরূপ : লে কে আন শামসীকে শুদ বান্দাশ্ আসীর (কিন্তু শূন্য মণ্ডল যে সূর্যের কাছে বন্দি।)

দার তসওওর যাতে উ রা গুন্জ কূ

তা দার আয়াদ দার তাসাওওর মেস্লে উ

১২২. কল্পনায় তার সত্তার অবধারণ কীভাবে হবে?

তাহলেই তো তার নজীর কল্পনা করা সম্ভব হবে।

তাঁর সত্তা মানুষের কল্পনায় সমাবিষ্ট করা সম্ভব হলেই তার মতো কোনো নজীর কল্পনা করা সম্ভবপর হত। কাজেই তিনি কল্পনার ঊর্ধ্বে, অনুমানের বাইরে- তাঁর মতো কোনো কিছুই নেই।’ (সুরা শুরা: ১১)।

মওলানা এতক্ষণ সূর্য তথা শামসের কথা আলোচনা করছিলেন। এই ফাঁকে তাঁর মনে পড়ে গেল তাবরিজের শামসের (সূর্যের) কথা। অর্থাৎ শামসে তাবরিজি যিনি তাঁর মুর্শিদ। যার সংস্পর্শে মওলানা প্রেমের অমূল্য রত্নভাণ্ডার লাভ করেন।

মওলানা রুমি তাঁর পীর শামসে তাবরিজির প্রতি এতই অনুরক্ত ছিলেন যে, সামান্য সূত্র পেলেই তাঁর আলোচনায় অভিভূত হয়ে পড়তেন, ভাবাবেগ সামলাতে পারতেন না। এখানেও আকাশের সূর্য অর্থে ‘শামস’ শব্দটি আসায় সেই সূত্র ধরে তিনি শামসে তাবরিজির আলোচনায় ব্যাপৃত হয়ে পড়েছেন এভাবে।

চোন হাদিসে রূয়ে শামসউদ্দীন রাসীদ

শামসে চারুম আসমান র্স দার কাশীদ

১২৩. আলোচনায় যখন শামসউদ্দীনের প্রসঙ্গ এসে গেল

চতুর্থ আসমানের সূর্য তখন মুখ লুকিয়ে নিল।

এখন মওলানার ধ্যানে-মনে শুধু শামসে তাবরিজিই বিরাজমান। আকাশের সূর্য এখন অন্তর্হিত।

(ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী রচিত মসনবি শরিফের গল্প ১-৬ খণ্ড প্রকাশ করেছে ছায়াপথ প্রকাশনী, মসজিদ বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স, ১৪৯/এ, এয়ারপোর্ট রোড, ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন ০১৭১১১১৫৮২৯। মসনবির গল্পভিত্তিক আলোচনা শুনতে ইউটিউবে ভিজিট করুন- CHAYAPATH PROKASHONI)

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত