ঢাকা সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

কক্সবাজারের ৪ আসনে ১৮ জন বৈধ, ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল

কক্সবাজারের ৪ আসনে ১৮ জন বৈধ, ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কক্সবাজারের দুইটি আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১০ জন প্রার্থী, বাতিল করা হয়েছে ১ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রথমে কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৩ আসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মনোনয়ন জমাদানকারী ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান।

বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন, লুৎফুর রহমান (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি), শহীদুল আলম বাহাদুর (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), আমিরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), জগদীশ বড়ুয়া (বাংলাদেশ লেবার পার্টি) ও নুরুল আবছার (আমজনতার দল)।

যাচাই-বাছাইয়ে ১ শতাংশ ভোটার তথ্যে গড়মিল পাওয়ায় মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া নামে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এরপর দুপুর ১২টায় উখিয়া ও টেকনাফ নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৪ আসনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া ৫ প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

তারা হলেন, শাহজাহান চৌধুরী (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি), নুর আহমদ আনোয়ারী (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), নুরুল হক (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), সাইফুদ্দিন খালেদ (জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এনডিএম) ও আব্দুল্লাহ আল আরফাত (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি)।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান সাংবাদিকদের জানান, জেলার ৪টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ২৩ জন প্রার্থী। যাদের মধ্যে ১৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং বাতিল হওয়া ৫ জন প্রার্থী ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিলের সুযোগ পাবেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল ২ জানুয়ারি বিকেলে কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের ভেতরে এখনও ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রভাব রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের বিরতির সময় আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে আলাদা করে ডেকে এনে নতুন পিটিশন গ্রহণ করা হয়েছে, যা নিরপেক্ষতার ন্যূনতম মানদণ্ডও পূরণ করে না।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ এবং ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর হিসেবে চিহ্নিত কর্মকর্তাদের অবিলম্বে অপসারণ দাবি করেন।

ড. আযাদ আরও জানান, তিনি ইতোমধ্যে পুনরায় শুনানির আবেদন জমা দিয়েছেন এবং প্রয়োজন হলে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হবেন।

৫ জনের মনোনয়ন বাতিল,১৮ জন বৈধ,কক্সবাজারের ৪ আসন
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত