
সাতক্ষীরা- ৩( কালিগঞ্জ আশাশুনি) আসনের সৎ গরিবের বন্ধু স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলমের ফুটবলের জনসভায় বক্তারা বলেন ডাঃ শহিদুল আলম শুধু একজন সৎ যোগ্য প্রার্থী নন তিনি একজন গরিবের বন্ধু খ্যাত মানবতার ফেরিওয়ালা। দীর্ঘ ৩০ বছর বিএনপির রাজনীতি করে পেয়েছেন লাঞ্ছনা ,গঞ্জনা ,মামলা ,হামলা জেল ,জুলুম তিরস্কার, বহিষ্কার। তাই দল তাকে ছুঁড়ে ফেললেও এই সাধারণ মেহনতী, অসহায় জনতা তাকে ফেলেনি, ভুলিনি। জনগণ তাকে মূল্যায়নের পুরস্কার স্বরূপ স্বতন্ত্র প্রার্থী করে নির্বাচনী মাঠে নিয়ে এসেছেন। তাই ডাঃ শহিদুল আলম আজ সাধারণ মানুষের প্রতীক হিসাবে ফুটবল নিয়ে সামনে এসেছেন। তাকে ভোট দিয়ে বিজয় করার দায়িত্ব আমাদের। আশা করি বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি তার গলায় জয়ের মালা দিয়ে আমরা বিজয়ের আনন্দে ঘরে ফিরবো। তাকে বিজয়ী করার জন্য সর্বদলীয় ঐক্য জোট হিসেবে সবাই মাঠে নেমে তার পক্ষে নির্বাচনী জনসভাকে গণজোয়ারে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। আজ কালীগঞ্জের সোহরাওয়ার্দী পার্কে এই শেষ জনসভায় আপনাদের উপস্থিতি সেটাই বলে। আজ এই বিশাল জনসমুদ্রে আপনারা যেমন দল মতের উর্ধ্বে হিন্দু ,বৌদ্ধ ,খ্রিষ্টান সবাই এসেছেন। তেমনি আপনাদের সামনের মঞ্চেও সর্বদলীয় নেতাকর্মীরা ফুটবলকে বিজয়ী করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন। আশা করি এই ঐক্য অটুট রেখে আগামী ১২ তারিখের বিজয় ছিনিয়ে আনবো। এর মধ্যেই আপনারা জেনেছেন মাইনরিটি পার্টির একজন প্রার্থী রুবেল ভাই তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে আমাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আজ যারা ভালোবাসার টানে দল থেকে বহিষ্কার হয়ে আপনাদের সম্মান জানিয়ে ফুটবলের মঞ্চে এসেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। গরিবের ডাক্তার খ্যাত ডাঃ শহিদুল আলম কে ছেড়ে না যাওয়ায় কাজী আলাউদ্দিনের নির্দেশে বিএনপি থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ শতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবুও ফুটবলের জোয়ার থামাতে পারেনি বরং বেড়েই চলেছে। জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য প্রধান বক্তা আলহাজ্ব শাহাদাত হোসেন বলেন আমরা ন্যায়, সত্য ও সৎ ব্যক্তিকে জয়লাভ করানোর জন্য আপনাদের কাতারে এসেছি। বিএনপি'র প্রার্থী মিথ্যাচার করে বলেছেন তিনি নাকি উন্নয়নের রূপকার। আমি ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য থাকাকালীন কালীগঞ্জের কাকশিয়ালি খানজাহান আলী সেতু তৎকালীন বিএনপির যোগাযোগ মন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদকে দিয়ে উদ্বোধন করি। অথচ কাজী আলাউদ্দিন নিজে করেছে বলে মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছে। আপনারা মিথ্যা রূপকারের পিছনে না ঘুরে একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেবেন। মাইনোরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী রুবেল হোসেন বলেন আমিন জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার কথা চিন্তা করে নিজে এবং নিজের দলের সমর্থন ডাঃ শহিদুল আলমের উপর অর্পণ করে আমি নিজে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াইয়েছি। কালিগঞ্জ উপজেলার জাতীয় পার্টির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন আমরা একজন সৎ যজ্ঞ গরীবের ফ্রি সেবা কারীর সমর্থন জানাতে এসেছি। আমার জাতীয় পার্টির প্রার্থী থাকলেও তাকে আমরা সমর্থন দেব না । তিনি আরো বলেন এই আসন থেকে ডাঃ শহিদুল আলমের ফুটবল দিয়ে গোল করে তাকে বিজয়ী করে তারেক জিয়ার বহিষ্কারের জবাব দেওয়া হবে। বিএনপি'র সাবেক নেতা আব্দুল গফুর, আব্দুল আজিজ, বাবুল খান সহ একাধিক বক্তা জানান বিগত ২০০১ সালে জামায়াত বিএনপির জাতীয় পার্টির ভোটে কাজী আলাউদ্দিন নির্বাচিত হয়েছিল। এবারের নির্বাচনে সেই নিশ্চিত পরাজয় বরণ করবে জেনে ভুলভাল প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি থেকে বহিষ্কার করে নিজেই এখন বিএনপি শূন্য হয়ে পড়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টায় সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ আসাশুনি) আসনে কালীগঞ্জ উপজেলা বাসির আয়োজনে সোহরাওয়ার্দী পার্কে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ডঃ শহিদুল আলম সহ বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উক্ত জনসভায় কালীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান খান লতিফুর রহমান বাবলুর সভাপতিত্বে এবং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মাইনারটি জনতা পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী রুবেল গাইন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গাজী তুহিন, কালিগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মাহবুবুর রহমান, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক স বিএনপি নেতা শেখ দিদারুল ইসলাম ,আশাশুনি বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক খায়রুল আহসান , নলতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান পাড়, মধুবেশপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কালিগঞ্জ উপজেলার যুগ্ন আহবায়ক মিলন কুমার সরকার, সাবেক বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আজিজ আহমেদ পুটু,
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি বাবুল খান ,ভাড়া সিমলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক আব্দুল গফুর, তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোনাজাত সানা, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম বাবলু, আশাশুনি থানার খাজরা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক আব্দুল আজিজ গাইন, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি সেলিম হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আলাউদ্দিন সোহেল ,আশাশুনি উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্নু আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান, কালিগঞ্জ থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবু ফারহাদ, সাবেক সদস্য সচিব শেখ পারভেজ ইসলাম প্রমূখ।