ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

রংপুরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

রংপুরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সহনীয় রাখতে রংপুরে সিটি বাজারে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এছাড়া মিঠাপুকুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে মিঠাপুকুর উপজেলা প্রশাসন। এসময় সিটি বাজারে দুই খেজুর ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং মিঠাপুকুরে দুই ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংস্থার বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সিটি বাজারে মো. জাহাঙ্গীর আলম এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। নগরীর সিটি বাজারের খেজুর, ফলের দোকানসহ মাছ বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অপর দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ।

এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও বাজার কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে খেজুরের মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও মান সম্মত পণ্য বিক্রি না করার অভিযোগে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ব্যবসায়ী নেতাদের অনুরোধে মাছ বাজারে রঙিন লাইন অপসারণের আল্টিমেটাম দেন ভোক্তা অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

অভিযানে ভোক্তা অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মমতাজ বেগম, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক পার্থ বোস, সিটি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামালসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রমজান উপলক্ষ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময় তিনি ভোক্তা পর্যায়েও সচেতনতা বৃদ্ধিতে নানা উদ্যোগের কথা জানান।

মিঠাপুকুর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে থাকে। এ ধরনের অনিয়ম রোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা, পণ্যের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও বলেন, ‘রমজানে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় রেখে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেউ অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা মজুতদারির মাধ্যমে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

রংপুর,দ্রব্যমূল্য,ভ্রাম্যমাণ আদালত
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত