
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ডুমুরিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত ববিতা খাতুনের (২৭) মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ ১৮ ঘন্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়।
নিহত ববিতা খাতুন উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ডুমুরিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের সরোয়ার হোসেনের মেয়ে এবং স্বামী পরিত্যক্তা নারী।
নিহতের পারিবারিক ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে স্বামী পরিত্যক্তা দুই সন্তানের জননী ববিতা খাতুন প্রতিদিনের মতো উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের বাবার বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন। শনিবার ভোর ৪টার দিকে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে ওই দিনই বিকেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে ও হাসপাতালে পৌঁছায়। আহত ববিতাকে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।