
পাবনায় পদ্মা নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর পীরপুর এলাকায় পদ্মা নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই কিশোরীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে তার গলায় একটি রুপার চেইন রয়েছে।
স্থানীয়দের ধারণা, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন হাত-পা বাঁধা, পলিথিনের বস্তা দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
ওসি আরও বলেন, এখনো ওই কিশোরীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজসহ সব ধরনের ক্লু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে বলেন, যে স্থানটিতে মরদেহ পাওয়া গেছে সেখানে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে একটি মাইক্রোবাস যায়। স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের গাড়ি ভেবে বাড়ি চলে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে ওই গাড়িতে করে এসে মরদেহটি ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।