ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

স্বর্ণ লুটের বিরোধে যুবদল নেতা খুন, দুই মামলায় গ্রেপ্তার ৭

স্বর্ণ লুটের বিরোধে যুবদল নেতা খুন, দুই মামলায় গ্রেপ্তার ৭

মাগুরায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন (৩৬) হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে মাগুরা পুলিশ লাইনসে জেলা পুলিশের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদরের রামনগর এলাকায় যাত্রীবাহী পরিবহন থেকে পুলিশ পরিচয়ে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল ১৫০ ভরি স্বর্ণ (আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা) এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে। পরে লুণ্ঠিত স্বর্ণ ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারুফ ও সাকেরের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে মারুফের পরিকল্পনায় গত ২১ অক্টোবর মাগুরা পৌর বাস টার্মিনালের রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে কর্মরত অবস্থায় যুবদল নেতা সাকেরকে হত্যা করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে স্বর্ণ ডাকাতির মামলার তদন্তে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ ও একটি খণ্ডিত স্বর্ণের বার, দুটি মোটরসাইকেল এবং একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, সাকের হোসেন হত্যা মামলায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রনি শিকদার (৩৮), শামীমা তাবাসসুম (৩১), অনিমেষ মজুমদার (৫৫), পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেন (৪৪), জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও বশির আলী।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া শুটারকে শনাক্ত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার সাতজন হলেন—মো. জুয়েল হোসেন (৪৭), তৌকির আহমেদ (২৫), মো. ফরিদ মন্ডল (৫৯), মো. মিল্টন মোল্যা (৩৫), মারুফা আক্তার (৩২), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও মো. মারুফ হোসেন (৪৪)।

উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা পৌর বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের একটি কাউন্টারে কর্মরত অবস্থায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শারমিন্নাহার রুমা বাদী হয়ে ওই দিনই মাগুরা সদর থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে মামলা করেন। নিহত সাকের হোসেন মাগুরা সদরের পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে।

গ্রেপ্তার ৭,দুই মামলা,যুবদল নেতা খুন,স্বর্ণ লুট
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত