
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি করেছে শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় বটতলা থেকে ইবি সংস্কার আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।
মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। পরে দুপুর ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত প্রশাসন ভবন তালাবদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।
ইবি সংস্কার আন্দোলন, শাখা ছাত্রশিবির, শাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং খেলাফত ছাত্র মজলিশের নেতা-কর্মীসহ শতাধিক শিক্ষার্থী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজটের অন্যতম প্রধান কারণ শিক্ষক সংকট। ৫ আগস্ট পরবর্তী অল্প পরিসরে হলেও শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রেখেছিল প্রশাসন। আজ জার্নালিজম বিভাগের নিয়োগ বোর্ড থাকলেও কাদের ইন্ধনে প্রশাসন স্থগিত করেছে তার স্পষ্ট জবাব দিতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, যে শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে নিয়োগ বোর্ড স্থগিত হলো তাকে আজই শোকজ করা হবে। আগামী রোববার স্থগিতকৃত নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ইতোমধ্যে যে সকল বোর্ডের শিডিউল নির্ধারিত হয়েছে তা চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, আজ রোববার বেলা ১০টায় নিয়োগ পরীক্ষার বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও বিভাগীয় সভাপতি অনুপস্থিত থাকায় বোর্ড বন্ধ হয়ে যায়। বিভাগটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান।