অনলাইন সংস্করণ
১৯:১৩, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত আরোপকে দুঃখজনক হিসেবে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি এটি ‘অস্বাভাবিক’ নয় বলেও উল্লেখ করেন।
বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমেরিকার সিদ্ধান্ত শুধু বাংলাদেশের বিষয় নয়।
তিনি বলেন, অনেক দেশের নাগরিকদের ওপর একই ধরনের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা সেখানে সোশ্যাল সিস্টেম থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা সর্বাধিক। তাই যদি কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, তার মধ্যে বাংলাদেশ থাকা অস্বাভাবিক নয়। তিনি এই পরিস্থিতি দুঃখজনক এবং কষ্টকর মনে করছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, এই পদ্ধতি দীর্ঘদিন ধরে চলছে এবং দায়িত্বের বিষয়টি পুরনো সরকারের নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বর্তমান সরকারের হাতে ভিসা বন্ডের শর্ত পরিবর্তনের ক্ষমতা নেই। তিনি অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধ করার গুরুত্বও তুলে ধরেন এবং বলেন, অনিয়মিত অভিবাসনের কারণে মানুষের প্রাণও ঝুঁকিতে থাকে। ভূমধ্যসাগরে মানুষ মারা যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে, যা দুঃখজনক।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩৮ দেশের নাগরিকদের ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড দিতে হবে। বাংলাদেশসহ নতুনভাবে ২৫টি দেশ এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে এবং এ বন্ডের শর্ত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ভিসা বন্ড আরোপের বিষয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে কিনা জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটি মাত্র কার্যকর হয়েছে। তারা সাধারণ পদ্ধতিতে বিষয়টি নিয়ে কাজ করবে এবং চেষ্টা করবে যেন বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এই শর্ত থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়।