
শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় যাত্রী নামানোর সময় পেছন থেকে আরেক যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাস চালকের সহকারী (হেলপার) ও বাসটির সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার ভাঙ্গা-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের নাওডোবা গোলচত্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় বাসের অন্তত ১২ জন যাত্রী আহত হয়। নিহত আকাশ সরদার গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার ভোজের গাতি এলাকার বাহারুল সরদারের ছেলে। তিনি স্টার এক্সপ্রেস নামে এক পরিবহনের চালকের সহকারী (হেলপার) ছিলেন। আর সুপারভাইজার ইউনুস মোল্লাকে গুরুতর আহত অবস্থায় শিবচর সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তারা দুজনেই একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকালে নাওডোবা গোলচত্বর এলাকায় বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী নামাচ্ছিল খান পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা স্টার এক্সপ্রেস নামের আরেকটি যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দেয়। এতে দুটি পরিবহনের একটির পেছনের অংশ ও আরেকটির সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ সময় দুটি গাড়ির মধ্যে চাপা পড়ে আকাশ সরদার নামের স্টার এক্সপ্রেস গাড়ির চালকের সহকারী নিহত হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে হাইওয়ে ও পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাসের সুপারভাইজারও মারা যায়।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির হোসেন বলেন, যাত্রী নামানোর সময় পেছন থেকে আরেকটি বাস ধাক্কা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজন নিহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।