ঢাকা বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

মাদক ও সার পাচার রোধে কঠোর অবস্থানে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন

মাদক ও সার পাচার রোধে কঠোর অবস্থানে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তারের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, উখিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল ফজল, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) কামাল উদ্দিন, পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী, জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম সৈয়দ আলম, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. নুরুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামানাশীষ সরকার, রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী রুমান, হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান স্বপন শর্মা, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম মোক্তার আহমদ, হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির নেতা সাইফুল ইসলাম সিকদার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ হোসেন এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবদুল হক। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মাদকদ্রব্যের বিস্তার, সীমান্তপথে চোরাচালান, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি, মানবপাচার, সার, সিমেন্ট, ভোজ্যতেল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অবৈধ পাচার, পাহাড় নিধন, বনভূমি দখল, রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচল, হাট-বাজারে অতিরিক্ত টোল আদায়, অবৈধভাবে ফুটপাত দখল, যানজট, চুরি, ডাকাতি, হত্যা, ইভটিজিং এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।

এ লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি, বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। মাদক ও সার পাচার, চোরাচালান, মানবপাচার, পাহাড় নিধন, বনভূমি দখল, চাঁদাবাজি কিংবা জনগণের ভোগান্তির কারণ- এমন কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিশেষ অভিযান, টাস্কফোর্স এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। তিনি সরকারি দপ্তরগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের পাশাপাশি পারস্পরিক সমন্বয় আরও জোরদারের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত