প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
বাংলাদেশে নারীর গণপরিবহন ব্যবহার দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা, হয়রানি ও নানা সামাজিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এ বাস্তবতায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় নারীদের জন্য ১৪টি বিশেষ বাস চালুর উদ্যোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গোলাপি রংয়ের এসব বাসের চালক ও সহকারীরাও নারী। সরকারের এ উদ্যোগ একদিকে নারীর জন্য নিরাপদ যাতায়াতের একটি বিকল্প তৈরি করেছে, অন্যদিকে সামনে এনেছে বড় প্রশ্ন- নারীকে নিরাপদ রাখতে আলাদা পরিবহন কতটা কার্যকর? নাকি নিরাপদ গণপরিবহন নিশ্চিত করতে পুরো ব্যবস্থাকেই সংস্কার করা প্রয়োজন? বিতর্কটি তাই শুধু গোলাপি বাসের রং নিয়ে নয়; এটি নারীর নিরাপত্তা, স্বাধীন চলাচল, সমতা, কর্মসংস্থান, সামাজিক মর্যাদা এবং সরকারি জবাবদিহিতার প্রশ্ন।
গণপরিবহনে নারীর নিরাপত্তাহীনতা যে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনার বিষয় নয়, বিভিন্ন গবেষণায় তার প্রমাণ রয়েছে।
BRAC-এর ২০১৮ সালের এক গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীদের ৯৪ শতাংশ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে গণপরিবহনে যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। আরও সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণে ২০২২ সালের ২৪ জেলায় ৫ হাজারের বেশি নারীকে নিয়ে করা জরিপের তথ্য উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ৮৭ শতাংশ নারী অন্তত একবার হয়রানির অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। ৩৬ শতাংশ নারী নিয়মিত গণপরিবহনে যৌন হয়রানির মুখোমুখি হওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং ৫৭ শতাংশ গণপরিবহনকে অন্যান্য জনপরিসরের তুলনায় সবচেয়ে অনিরাপদ মনে করেছেন।
২০২৫ সালে BRAC-এর SHIKHA প্রকল্পেও গণপরিবহন ব্যবহারকারী নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মাত্রা উঠে এসেছে। এসব তথ্য দেখায়, নারীর নিরাপদ যাতায়াত কোনো বিলাসী সুবিধা নয়; এটি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অংশগ্রহণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
নারীদের জন্য নির্দিষ্ট বাসের প্রয়োজনীয়তা পুরোপুরি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। অতিরিক্ত ভিড়, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক নারী বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে গণপরিবহন ব্যবহারে অস্বস্তি বোধ করেন। নির্দিষ্ট বাস তাদের জন্য তাৎক্ষণিক একটি বিকল্প তৈরি করতে পারে।
এ উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নারী চালক ও সহকারী নিয়োগ। পরিবহন খাতে নারীর অংশগ্রহণ এখনও সীমিত। বিশ্বব্যাংকের একটি নথিতে বাংলাদেশের পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ খাতে কর্মরতদের মাত্র ৮ শতাংশ নারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অতএব, নারী পরিচালিত বাস যাত্রীসেবার পাশাপাশি পরিবহন খাতে নারীর কর্মসংস্থান ও পেশাগত অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগও তৈরি করতে পারে।
গোলাপি বাস প্রকল্পকে শুধু যাতায়াতের উদ্যোগ হিসেবে দেখলে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বাদ পড়ে যায়।
পরিবহন খাতে নারী চালক, সহকারী, তদারককারী ও প্রশাসনিক কর্মী তৈরির সুযোগ তৈরি করা গেলে এটি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখতে পারে। তবে নারী কর্মীদের শুধু নিয়োগ দিলেই হবে না। তাদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ন্যায্য মজুরি, প্রশিক্ষণ, বিশ্রামের ব্যবস্থা, কর্মঘণ্টা এবং কর্মস্থলে হয়রানি প্রতিরোধের নীতিও নিশ্চিত করতে হবে।
সাধারণ বাসে নারী নিরাপদ না হলে আলাদা বাস একটি সাময়িক নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।
কিন্তু এর পাশাপাশি সাধারণ গণপরিবহনে হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সমস্যার মূল কারণ থেকেই যাবে। ব্র্যাকের একটি ঢাকাভিত্তিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, একটি পর্যায়ে ১০টি বাসযাত্রার মধ্যে প্রায় ছয়টিতে হয়রানির ঘটনা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। একই গবেষণায় প্রত্যক্ষদর্শীরা মাত্র প্রতি পাঁচটি ঘটনার একটিতে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তাই নারীকে আলাদা করে দেওয়ার পাশাপাশি পুরুষ যাত্রী, পরিবহনকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের আচরণ পরিবর্তনের উদ্যোগও প্রয়োজন। নারীর নিরাপত্তা শুধু বাসের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়। একজন নারী বাড়ি থেকে বের হয়ে বাসস্টপে পৌঁছানো, অপেক্ষা করা, বাসে ওঠা, গন্তব্যে নামা এবং সেখান থেকে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানো পর্যন্ত বিভিন্ন ঝুঁকির মুখোমুখি হতে পারেন।
নিরাপদ নারী পরিবহন পরিকল্পনায় থাকতে হবে- পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা; নিরাপদ ও নির্দিষ্ট বাসস্টপ; ফুটপাত ও পথচারীবান্ধব ব্যবস্থা; বাসে ওঠানামার নিরাপদ ব্যবস্থা; জরুরি যোগাযোগের সুযোগ; সহজ অভিযোগ ব্যবস্থা; প্রয়োজন হলে সিসিটিভি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা; দ্রুত প্রতিকার ও আইন প্রয়োগ।
কোনো নারী চালকের কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় সমস্যায় পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেটিকে কেন্দ্র করে নারী চালকদের সামগ্রিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যুক্তিসংগত নয়। বরং নতুন নারী চালকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, রুট সম্পর্কে ধারণা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বড় যানবাহন পরিচালনার বাস্তব অনুশীলন নিশ্চিত করা দরকার। একই মানদণ্ডে নারী-পুরুষ সব চালকের দক্ষতা মূল্যায়ন করতে হবে। দক্ষতার প্রশ্নে লিঙ্গ নয়, প্রশিক্ষণ ও কর্মদক্ষতাই হওয়া উচিত মূল বিবেচনা।
নারী মানেই একই ধরনের যাত্রী- এমন ধারণা নীতিনির্ধারণে সমস্যা তৈরি করতে পারে। একজন শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নারী, বয়স্ক নারী, প্রতিবন্ধী নারী কিংবা শিশুকে সঙ্গে নেওয়া মা- সবার পরিবহন চাহিদা এক নয়। তাই বাসে প্রবেশের সুবিধা, বসার ব্যবস্থা, প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো, পর্যাপ্ত জায়গা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়গুলোও পরিকল্পনায় রাখতে হবে। বিশেষ করে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী নারীর জন্য পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত না হলে ‘নারীবান্ধব’ ব্যবস্থাও অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
নারীদের জন্য বাস চালু করলেই হবে না; বাস কোথায় এবং কখন চলবে- সেটিই প্রকল্পের সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি। কর্মজীবী নারীদের অফিস শুরু ও শেষের সময়, শিক্ষার্থীদের ক্লাসের সময়, হাসপাতাল ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মস্থলকেন্দ্রিক যাতায়াত- এসব বিবেচনায় রুট নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যেখানে নারী যাত্রী বেশি, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী বাসের সংখ্যা বাড়াতে হবে। আবার যেসব রুটে যাত্রী কম, সেখানে তথ্য বিশ্লেষণ করে সময়সূচি বা রুট পরিবর্তন করা যেতে পারে।
যে কোনো সরকারি পরিবহন প্রকল্পের সাফল্যের সঙ্গে আর্থিক স্থায়িত্বও জড়িত। বাস চালাতে জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মীদের বেতন, যন্ত্রাংশ, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যয় রয়েছে। তাই প্রকল্পের ব্যয় কত, যাত্রীপ্রতি সরকারি ভর্তুকি কত এবং দীর্ঘমেয়াদে এটি কীভাবে পরিচালিত হবে- এসব তথ্যও জনসমক্ষে থাকা প্রয়োজন। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যয়কে শুধু ‘খরচ’ হিসেবে দেখা যাবে না। তবে সেই অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তার স্বচ্ছ হিসাব থাকা জরুরি।
গোলাপি বাস চালুর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া উচিত নিয়মিত ও স্বচ্ছ মূল্যায়ন। সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময় পর প্রকাশ করা যেতে পারে- মোট যাত্রীসংখ্যা; রুটভিত্তিক যাত্রীসংখ্যা; সবচেয়ে ব্যস্ত সময়; নারী যাত্রীদের সন্তুষ্টির হার; নিরাপত্তাণ্ডসংক্রান্ত অভিযোগ; অভিযোগ নিষ্পত্তির হার; দুর্ঘটনার সংখ্যা; বাসের সময়ানুবর্তিতা; পরিচালন ব্যয়; নারী কর্মীর সংখ্যা ও কর্মপরিবেশের তথ্য। শুধু কতজন যাত্রী বাসে উঠলেন, সেটিই সাফল্যের মাপকাঠি হওয়া উচিত নয়। নিরাপত্তা ও সেবার মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক নারী হয়রানির শিকার হলেও অভিযোগ করেন না। কারণ অভিযোগ করলে কী হবে, পরিচয় প্রকাশ হবে কি না, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না- এসব নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। তাই বাসে ও বাসস্টপে সহজ অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। অভিযোগের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা, দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—অভিযোগ গ্রহণের পর সেটি যেন ফাইলবন্দি না থাকে।
গোলাপি বাস চালুর পর বিভিন্ন ভিডিও, ছবি ও দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু কোনো ভিডিও বা পোস্ট ভাইরাল হলেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়া উচিত নয়। ভুল তথ্য নারীর নিরাপত্তা ও নারী চালকদের দক্ষতা সম্পর্কে অযৌক্তিক ধারণা তৈরি করতে পারে। তাই গণমাধ্যম, প্রশাসন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের যাচাই করা তথ্যের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বাংলাদেশে এর আগেও নারীদের জন্য পৃথক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৮ সালে বিআরটিসি এবং ২০১৮ সালে বেসরকারি উদ্যোগে ‘দোলনচাঁপা’ নামে নারী বাসসেবা চালু হয়েছিল। কিন্তু এসব উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তাই বর্তমান প্রকল্পে আগের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করা জরুরি। কেন সেগুলো টেকেনি- যাত্রীসংখ্যা, রুট, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি নাকি অন্য কোনো কারণ- তা খুঁজে বের করতে হবে।
নতুন প্রকল্পকে প্রথম দিনেই সফল বা ব্যর্থ ঘোষণা করা ঠিক নয়। অন্তত ৬ মাস থেকে ১ বছর বাস্তব অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করে মূল্যায়ন করা যেতে পারে। এই সময়ে নারী যাত্রীদের মতামত, রুটভিত্তিক ব্যবহার, অভিযোগ, নিরাপত্তা এবং পরিচালন ব্যয় বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা উচিত।
নারীদের জন্য পৃথক বাস একটি সহায়ক ব্যবস্থা হতে পারে; কিন্তু এটি যেন সাধারণ গণপরিবহনে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বকে আড়াল না করে। দীর্ঘমেয়াদে এমন গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রয়োজন, যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই নিরাপদে চলাচল করতে পারেন। বিশেষ বাস থাকবে অতিরিক্ত সুযোগ হিসেবে, নিরাপত্তার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে নয়।
নারীর নিরাপদ চলাচল সরাসরি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। একজন নারী যদি গণপরিবহনের নিরাপত্তাহীনতার কারণে চাকরি, ব্যবসা, শিক্ষা বা প্রশিক্ষণে নিয়মিত যেতে না পারেন, তাহলে তার ব্যক্তিগত সম্ভাবনাই শুধু ক্ষতিগ্রস্ত হয় না; দেশের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই নারীবান্ধব পরিবহনকে সামাজিক কল্যাণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ হিসেবেও দেখা দরকার।
গোলাপি বাসকে আরও কার্যকর করতে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে- নারী যাত্রীদের নিয়মিত মতামত গ্রহণ। রুট ও সময়সূচি তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ। নারী চালক ও কর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণ। বাসস্টপ ও ফুটপাত নিরাপদ করা। সহজ ও গোপনীয় অভিযোগ ব্যবস্থা চালু করা। অভিযোগ নিষ্পত্তির তথ্য প্রকাশ করা। প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক নারীর সুবিধা নিশ্চিত করা। সাধারণ বাসেও হয়রানি প্রতিরোধ জোরদার করা। নারী কর্মীদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা। ছয় মাস ও এক বছর পর স্বাধীন মূল্যায়ন প্রকাশ করা।
পরিশেষে বলা যায়, গোলাপি বাস নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্র হওয়া উচিত নয় বাসের রং; কেন্দ্র হওয়া উচিত নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার। ১৪টি বাস হয়তো বাংলাদেশের গণপরিবহনের বিশাল সমস্যার পুরো সমাধান করবে না। কিন্তু সঠিক রুট, পর্যাপ্ত সেবা, প্রশিক্ষিত কর্মী, নিরাপদ অবকাঠামো, কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিতা থাকলে এটি একটি কার্যকর উদ্যোগে পরিণত হতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হওয়া উচিত- এমন গণপরিবহন ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে একজন নারী সাধারণ বাসেও নিরাপদে চলতে পারবেন। গোলাপি বাস তখন হবে একটি সহায়ক পদক্ষেপ, চূড়ান্ত সমাধান নয়।
নারীর স্বাধীন চলাচল কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি তাঁর অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব শুধু নারীর নয়- রাষ্ট্র, পরিবহন কর্তৃপক্ষ, চালক, সহকারী, যাত্রী এবং পুরো সমাজের।
লেখক : কলামিস্ট ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক।