ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ

দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ

দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, অন্য কোনো দেশ নয়, সবার আগে বাংলাদেশ উল্লেখ করে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যেমন দিল্লি নয়, তেমন পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ। এবং যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষই হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক সব ক্ষমতার উৎস। সে জন্যই আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে বিশ্বাস করি।’

গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট নগরের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনি জনসভায় দেশবাসীর সাহায্য ও দোয়া কামনা করে তারেক রহমান ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচিত হলে নবীজির ন্যায়ের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করা হবে। কেউ কেউ বলে, অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবার একে দেখেন। প্রিয় ভাইবোনরা, ১৯৭১ সালে যে যুদ্ধ, যে যুদ্ধে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি, সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার জন্য এই দেশের লক্ষ লক্ষ ভাইয়েরা শহিদ হয়েছেন। এই দেশের লক্ষ লক্ষ মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তাদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে।’

বিএনপি দেশের প্রত্যেক মানুষকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘এই কুফরির বিরুদ্ধে, এই হঠকারিতার বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের টেক ব্যাক বাংলাদেশে থাকতে হবে। আমরা দেশকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করেছি। এখন মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু ভোট, শুধু কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে হবে না, মানুষকে স্বাবলম্বী করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’

নির্বাচিত হলে নবীজির ন্যায়ের ভিত্তিতে দেশ চালাব : বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি মাঠভর্তি মানুষের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘কাবা শরিফের মালিক কে? এই দিনদুনিয়া, আমরা যে পৃথিবী দেখি, এই পৃথিবীর মালিক কে? এই সূর্য-নক্ষত্র যা দেখি, এর মালিক কে? বেহেশতের মালিক কে? দোজখের মালিক কে?’ তারেক রহমানের প্রশ্নের উত্তরে সবাই ‘আল্লাহ’ বলে সমস্বরে উচ্চারণ করলে তিনি বলেন, ‘আপনারা সকলেই সাক্ষ্য দিলেন, পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, কাবার মালিক আল্লাহ। আরে ভাই, যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কী অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না। তাহলে কী দাঁড়াল? নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দিব, ওই দিব বলছে, টিকিট দেব, বলছে না? যেটার মালিক মানুষ নয়, সেটার কথা যদি সে বলে, তাহলে সেটা শিরক করা হচ্ছে না? যেটার মালিক আল্লাহ একমাত্র। সবকিছুর ওপরে আল্লাহর অধিকার। কাজেই আগেই তো আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পর কেমন ঠকানো ঠকাবে, আপনারা বুঝেন এবার।’

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে একের পর এক নির্বাচনে ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়েছে, কীভাবে আমি-ডামি নির্বাচন হয়েছে, কীভাবে নিশিরাতে নির্বাচন হয়েছে। এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।’ তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে কীভাবে দেশের মানুষের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে।’

ভোট চুরির প্রক্রিয়া তারা শুরু করেছে : দেশে ফের ভোট চুরির ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘পত্রপত্রিকা তো কমবেশি সবাই পড়েন পড়েন না? ফেসবুক তো কমবেশি সবাই দেখেন দেখেন না? এই ফেসবুকে দেখেন, পত্রপত্রিকায় এসেছে একটি সংবাদ; কী সেই সংবাদ? মধ্যপ্রাচ্যসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এনআইডি কার্ড নিয়ে মোবাইল নম্বর নিয়ে মা বোনদের বিভ্রান্ত করছে একটি দল; দেখেছেন? একটি দল বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করছে। আমরা দেখেছি গত ১৫ বছর ১৬ বছর জনগণের ভোট ডাকাতি হয়েছে, এখন এই দেশে এখন বর্তমানে আরেকটি রাজনৈতিক দল তারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এখানে আজকে যারা উপস্থিত আছেন, আপনাদের কাছে আমি বিনীত অনুরোধ করব এবং আপনাদের মাধ্যমে এই পুরো জেলার চারটি নির্বাচনি এলাকার যত ভাই-বোন, মুরুব্ব আছেন, যারা দাঁড়িয়ে আছেন- সকলকে আমি অনুরোধ করব, অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সজাগ থাকার জন্য। কারণ এরা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং এরা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পত্রিকায় পড়েছি আমরা, সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখেছি যে ব্যালট পেপার তারা গায়েব করে দিচ্ছে; সব ব্যালট পেপার নিজেদের পক্ষ নিয়ে নিয়েছে অর্থাৎ আবার ভোট চুরির প্রক্রিয়া তারা শুরু করেছে।’

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখন ভাই এই যে দলটি সম্পর্কে সজাগ থাকতে বললাম; এই দল সম্পর্কে আরেকটি কথা বলি আপনাদের সামনে। কয়েকদিন ধরে আমরা কী দেখছি? আমরা দেখতে পাচ্ছি, তারা বিভিন্নভাবে মানুষকে কতগুলো কথা বলছে- যা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা এবং শুধু মিথ্যা কথাই নয়, গোনাহের কথা তারা বলছে। আসুন প্রথমে তাদের মিথ্যা কথা কী বলছে, সেটি আমরা দেখি- কী সেই মিথ্যা কথা? ১৯৭১ সালে এই মাটিকে এই মাটির সাথে রক্ত মিশিয়ে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের বুকের রক্ত তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। এই যে দলটি সম্পর্কে আপনাদের সজাগ থাকতে বলছি, আমরা দেখেছি তখন কী ভূমিকা ছিল তাদের। যদি তাদের ভূমিকা সেই সময় দেশের পক্ষে থাকত, যদি তাদের ভূমিকা সেই সময় দেশের জনগণের পক্ষে থাকত; তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহীদ হতে হতো না।’

জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘আরে ভাই, আপনাদের তো মানুষ ’৭১ সালেই দেখেছে; ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। ’৭১ সালে মানুষ দেখেছে আপনারা কীভাবে দেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তারপরে লক্ষ লক্ষ মা-বোনের সম্মানহানি হয়েছে ’৭১ সালে। দেশের মানুষ দেখেছে- আপনাদের ভূমিকার কারণে এদেশের লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা শহিদ হয়েছেন; অনেক মানুষ পঙ্গু হয়েছে। কাজেই আপনাদের আরও ৫০ বছর আগে দেখে ফেলেছে আপনাদের ভূমিকা কী।’ বিএনপির প্রধান বলেন, ‘আমরা দেখছি এই কথাগুলো যখন তাদের বের হয়ে যাচ্ছে, মানুষ যখন বুঝতে পারছে, যে তারা বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে, তারা দেশের মানুষের মধ্যে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে- এইটা যখন মানুষ বুঝতে পারছে এবং এইটা যখন তারাও বুঝতে পারছে, যে মানুষ তাদের চালাকি, তাদের ষড়যন্ত্র ধরে ফেলেছে; তখন তারা সরকারকে গিয়ে বলছে নিরাপত্তা দিতে হবে, নিরাপত্তা দিতে হবে; প্রটোকল দিতে হবে, প্রটোকল দিতে হবে।’

তাদের প্রটোকল বিএনপির চাইতে ৩ গুণ করে দিন : তারেক রহমান বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যারা প্রধান আছেন, ডক্টর ইউনূসসহ সকলকে অনুরোধ করব- তাদেরকে যে প্রটোকল দিয়েছেন, আমাদের যে নিরাপত্তা দিয়েছেন; আমরা আপনাদের অনুরোধ জানাচ্ছি- সরকারের কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে, এই লাখো জনতার পক্ষ থেকে, তাদের প্রটোকল দরকারের তিন ডাবল করে দেন। তাদের প্রটোকল তিন ডাবল করে দেন, কারণ তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং মানুষ এইটা জানতে পেরে মানুষ তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই না, মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে মানুষ কিছু করে বসুক।’

‘প্ল্যান’ তুলে ধরেন তারেক রহমান : দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফেরার দিন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, তার বিস্তারিত তুলে ধরলেন মৌলভীবাজারের জনসভায়। তিনি বলেছেন, ‘আমি একটানা ১৭ বছর পর যখন বিদেশ থেকে ফিরে এসেছি, একটি কথা বলেছিলাম- মনে আছে আপনাদের, আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলেছিলাম না? সেই প্ল্যানের অর্থ একটি অংশ হচ্ছে আমরা এদেশের বেকার যারা যুবক আছে; শিক্ষিত হোক, অল্প শিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত- সকল মানুষের জন্য আমরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। যাতে এই মানুষগুলো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, শক্ত ভিত্তির ওপর যাতে এই মানুষগুলো দাঁড়াতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘যুব সমাজের যারা সদস্য, তরুণ সমাজের যারা সদস্য- তাদের শুধু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নয়; আমরা তাদের অর্থনৈতিকভাবেও সক্ষম গড়ে তুলতে চাই। যেন আপনারা লন্ডনে যান, অথবা এখান থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যান, অথবা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে যান; আমরা আপনাদের ট্রেনিং দিয়ে পাঠাব; আপনাদের সেই দেশের ভাষা শিক্ষা দিয়ে পাঠাব, যাতে ওই দেশে গিয়ে আপনারা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা দ্রুত করতে পারেন। যাতে করে আপনাদের আয়-রোজগার যদি আপনারা কোনো রকম দক্ষ না হয়ে সে দেশে যান, আয় রোজগার কম হবে; কিন্তু যদি কোনো ট্রেনিং নিয়ে যান তাহলে কী হবে? রোজগার বেশি হবে না? আমরা সেই ব্যবস্থা এদেশের মানুষের জন্য করতে চাই।’

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘এই এলাকায় তো ১৩০টির মতন চা বাগান রয়েছে, আছে না? এই চা বাগানের শ্রমিকরা বিশেষ করে নারী শ্রমিক যারা, তারা অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করতে হয়। তাদের যে আয় রোজগার হয়, সেটি তাদের জন্য যথেষ্ট নয়। সেই সকল পরিবারকে, সেই সকল নারীদের আমরা ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাই এবং ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তাদের আমরা হয় খাদ্য সহায়তা দেব অথবা তাদের আমরা নগদ সহায়তা দেব, যাতে করে তারা তাদের সংসার সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে সুন্দর ভাবে চালিয়া নিতে পারে। প্রিয় ভাই-বোনেরা চা শ্রমিকরা যেমন পাবে, একইভাবে একজন দিনমজুর- তার স্ত্রীও সেই ফ্যামিলি কার্ড পাবে। একজন শ্রমিক, একজন কৃষক ভাই- তার স্ত্রীও এই ফ্যামিলি কার্ড পাবে।’

কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের পাশাপাশি দেশের প্রত্যেক পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলেন তারেক রহমান। সেই সঙ্গে ইমামণ্ডমুয়াজিনদের সম্মানী দেওয়ার ভাবনা তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘আমরা যেমন কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে চাইছি। আমরা যেমন আমাদের মা বোনদের পাশে দাঁড়াতে চাইছি, আমরা যেমন আমাদের তরুণ সমাজ যুব সমাজের যারা বেকার, তাদের ট্রেনিং দেওয়ার মাধ্যমে, ভাষা শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে যেমন তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে যেমন চাচ্ছি; একইভাবে আরেক শ্রেণির মানুষের পাশে আমরা দাঁড়াতে চাচ্ছি, তারা কারা? তারা আমাদেরই আপনজন, আমাদেরই নিকটজন। এই মানুষগুলো আমাদের দুঃখের সময় আমাদের সাথে থাকেন, সুখের সময়ও আমাদের সাথে থাকেন; জীবনেও আমাদের সঙ্গে থাকেন, মৃত্যুর সময়ও আমাদের সাথে থাকেন। অর্থাৎ আমাদের বিভিন্ন সারা দেশে যে মসজিদ আছে, মাদ্রাসা আছে; সেখানকার খতিব সাহেবরা, সেখানকার ইমাম সাহেবরা- মোয়াজ্জেম সাহেবরা। ‘আমরা এই মানুষগুলোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানির ব্যবস্থা করতে চাই। যেন মসজিদের ইমাম সাহেব, খতিব সাহেব, মোয়াজ্জেম সাহেবরা আত্মসম্মান নিয়ে সম্মানের সঙ্গে এই সমাজে বসবাস করতে পারেন।’ তারেক রহমান তার বক্তব্যে ইলিয়াস আলীসহ সিলেট অঞ্চলের গুমের শিকার বিএনপির নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। এ সময় মঞ্চে সিলেট বিভাগের চার জেলার সংসদীয় আসনের বিএনপি-মনোনীত ও সমর্থিত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। জনসভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। মঞ্চে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমানসহ বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয় অনেক নেতা বক্তব্য দেন।

এর আগে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরা গতকাল সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে জড় হন। তারা ধানের শীষ, বিএনপি, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে স্লোগান দেন। অনেকে মাথায় ধানের শীষের ছবিসংবলিত টুপি আর কপালে দলীয় পতাকা বেঁধে সভায় হাজির হন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত