ঢাকা বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

পহেলা বৈশাখ উদ্বোধন

১১ উপজেলায় ২২ হাজার কৃষক পাচ্ছেন ফার্মার্স কার্ড

* ধর্ষণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * শিলাবৃষ্টি-বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দুই মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ * বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা
১১ উপজেলায় ২২ হাজার কৃষক পাচ্ছেন ফার্মার্স কার্ড

নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে দেশের ১১ উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ২২ হাজার কৃষকের মধ্যে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদর এলাকায় এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফার্মার্স কার্ডবিষয়ক এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ মোট ১১টি উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২১ হাজার ৫০০ কৃষকের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষি ও খামারিদের এ কার্ড দেওয়া হবে। এটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বছরে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সার, বীজ, কীটনাশক ও পশুখাদ্য ক্রয় করতে পারবেন।

টাঙ্গাইল ছাড়া অন্যান্য উপজেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য পরিচিতি নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা, বীজ ও সার বিতরণসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে। বৈঠকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিন; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু; প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ষণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর : ধর্ষণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে মন্ত্রণালয়গুলোকে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ নির্দেশনার বিষয়টি জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ক্যাবিনেট সুয়োমোটো (নিজে থেকে) একটি ডিসিশন নিয়েছে- দেশে এখন যেসব ধর্ষণ মামলা হচ্ছে বা আগে যেগুলো হয়েছে, সবগুলো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সব মন্ত্রণালয় মিলে একটি স্পেশাল ড্রাইভ (বিশেষ পদক্ষেপ) নেওয়া। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সমাজ থেকে ধর্ষণ প্রবণতা বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এসব বিষয়ে খুব দ্রুত অ্যাকশন নিতে বলেছেন। এসব মামলার সঙ্গে রিলেটেড যারা আছেন সবাই মিলে এবং যেখানে যতদূর যাওয়া দরকার, সে পর্যন্ত গিয়ে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যে কোনো মামলায় অনেকগুলো এজেন্সি জড়িত থাকে। তাহলে এদের ভেতরে কো-অর্ডিনেশনটা আরও জোরদার করা এবং অ্যাডভোকেসি করা, পাবলিকের মধ্যে অ্যাওয়ারনেস আনা, সেই জিনিসগুলো ক্রিয়েট করা এবং যাতে ইনস্টিটিউশন শক্তিশালী হয়, রাষ্ট্র হিসেবে যাতে আমরা শক্তিশালী হতে পারি- অন্তত এই ক্ষেত্রে, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে ধর্ষণের ক্ষেত্রে, নারী-নারীদের প্রতি যে সহিংসতা হয় সেগুলোর ক্ষেত্রে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের এমনি প্রত্যেকটা জেলায় একটা করে আলাদা কোর্ট আছে দ্রুত বিচারের জন্য এই ক্ষেত্রে। তো সেগুলোকে শক্তিশালী করা, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোটা আরেকটু শক্তিশালী করা।’

শিলাবৃষ্টি-বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দুই মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ : সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে চলমান ছুটির মধ্যে সহায়তার জন্য কৃষি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। আলোচ্যসূচির বাইরে সাম্প্রতিক সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুর্যোগ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আপনারা জানেন এই সময়টায় অলরেডি কিছু শিলাবৃষ্টি হয়েছে উত্তরাঞ্চলে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ফ্ল্যাশ ফ্লাড হয়েছে। তো এগুলোর জন্য কৃষি এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে একযোগে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তারা এই ছুটির ভেতরে এগুলো তৈরি করে প্যাকেজেস...সরবরাহ প্যাকেজ অলরেডি জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে যেগুলো আছে তাদের কাছে হাতে সেগুলো দিয়ে দিতে। এছাড়া আর কী কী সাপোর্ট লাগবে, সেটা এর মধ্যে তৈরি করে এটা দিয়ে দেবে তারা।’ শিলাবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য যে সহযোগিতা দেওয়া দরকার সেটার জন্য ছুটির মধ্যে কৃষি ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কাজ করবে। কাজ করে এখানে যে যে সাপোর্ট দেওয়া দরকার, সেগুলো তারা দেবে, ডিটেইল ওয়ার্ক আউট করে। নাসিমুল গনি আরও বলেন, আর এরই মধ্যে জেলা প্রশাসকদের বলে দেওয়া হয়েছে আপনাদের কাছে যে স্থানীয় তহবিল আছে, সেগুলো খরচ করেন।

বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর : বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের পাশাপাশি এ খাতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রকৌশলীদের কাজে লাগানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনকে আরও তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মহানগর (ঢাকা) নিয়ে খুবই সিরিয়াস। তিনি সব সময় ওনার নলেজে রাখতে চান যে আমরা কী কাজ করছি, কোথায় কী কাজ বাকি আছে এবং কোথায় কী কাজ করতে হবে। এরইমধ্যে আমাদের দুইজনকে মহানগরের দায়িত্ব দেওয়ার পর আগে যে শহরের অবস্থা ছিল, তার চেয়ে কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত কর্মীদের বোনাস পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দিনরাত যারা কাজ করে, প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য ঈদের উপহার দিয়েছেন, বোনাস দিয়েছেন। সেটা আমরা আজকে দিয়েছি। কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়েছে, ধন্যবাদটা আমরা ওনাকে পৌঁছে দিয়েছি।’ তবে প্রধানমন্ত্রী এই অগ্রগতিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘উনি (প্রধানমন্ত্রী) বললেন, এতে আমি খুশি না, যতটুকু হয়েছে আরও আরও কাজ করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খাল-নর্দমা যা আছে এগুলোকে কীভাবে আরও আধুনিকীকরণ করা যায়, এ সমস্ত বিষয়ে উনি দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে ইনশাআল্লাহ এ সমস্ত বিষয়ে আরও কাজ হবে।’

দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চান, বিদেশ থেকে আমরা কেন আমদানিনির্ভর হব? আমাদের এখানে লোকাল যারা স্টুডেন্ট আছে, ইঞ্জিনিয়াররা আছে, মহানগরকে ক্লিন করার জন্য যে সমস্ত ভেহিক্যালস (যানবাহন) বা ডাম্পিং ট্রাক দরকার, সেগুলোর ব্যাপারে উনারা কতটুকু সাহায্য করতে পারবে, লোকালি বানিয়ে দিতে পারবে কি না– এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী খুবই সিরিয়াস। আমরা আমদানিনির্ভর না হয়ে আমাদের দেশের ওপর নির্ভর হতে চাই, এটাই ওনার ইচ্ছা। উনি চান লোকাল স্পেয়ার পার্টস বা লোকাল ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করুক।’

ঈদকেন্দ্রিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ঈদকেন্দ্রিক নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিয়েছেন। এটা নিয়ে আমরা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রেরা সঙ্গে সঙ্গে দুই-তিনটা মিটিং করে ফেলেছি। ঈদের সময় যারা শহর ছেড়ে যাবে, তারা যাতে নির্বিঘ্নে যেতে পারে, সে জন্য বিভিন্ন বাস টার্মিনালগুলো যেখানে আছে, সেখানকার রাস্তাঘাটগুলো কিছুটা সংস্কার করে দিয়েছি।’ তিনি জানান, প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী প্রতি সপ্তাহেই তাদের কাছে জানতে চান এবং সেই ধারাবাহিকতায় আজ তাদের এখানে আসা।

মশার উপদ্রবে সৃষ্ট অস্বস্তিকর পরিবেশ এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মশা নিয়ে কাজ করতে গেলে একটু সময় লাগে। আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে তা সবাই বলছে। আমরা প্রতিনিয়ত মনিটরিং করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অলরেডি উত্তর সিটি কর্পোরেশনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কি না, এটি তদারকির জন্য একটা কমিটি করে দিয়েছি। আমাদের যে সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছে, তা দিয়ে কাজ করা খুবই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই লোকাল ওয়ার্ড প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার জন্য আমরা সহযোগিতা করছি।’

মশা নিধনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মশা শুধু ওষুধ দিয়ে নিধন করা যায় না। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার ফলে যে সমস্ত খাল, নর্দমা এবং ড্রেন রয়েছে- ওষুধের পাশাপাশি সেগুলো পরিষ্কার করার ক্রাশ প্রোগ্রাম আমরা হাতে নিয়েছি। এরইমধ্যে অনেকগুলো খাল ও নর্দমা পরিষ্কার করেছি এবং এটা অব্যাহতভাবে চলমান থাকবে। অনেক জায়গায় খালগুলোর মুখ বন্ধ হয়ে গেছে, সেটা খনন করার ব্যবস্থা করেছি। পরিকল্পনা মতো দ্রুতই আগামী বর্ষার আগেই যাতে আমরা মোটামুটিভাবে শতভাগ না হলেও তার কাছাকাছি যেতে পারি। ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব, এটা আমাদের করতেই হবে।’

নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সচিবালয়ে বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এহসান সাংবাদিকদের জানান, বর্জ্য অপসারণে স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, বুয়েট উদ্ভাবিত ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার বাস্তবায়ন এবং দেশেই প্রয়োজন অনুযায়ী যন্ত্রপাতি উন্নয়নের বিষয়েও কাজ চলছে। তবে এখনো এর কোনো সময়সীমা নির্ধারণ হয়নি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত