
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা। তবে এবার আর কোনো মাধ্যমের মাধ্যমে নয়, মার্কিনি ও ইরানিরা সরাসরি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, তাদের সূত্র জানিয়েছেন, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে কথা বলবে। কিন্তু তারা একে অপরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন। তবে যেখানে আলোচনা হচ্ছে, সেখানে পাকিস্তানি কর্মকর্তারাও উপস্থিত আছেন।
এ আলোচনায় মার্কিনিদের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। অপরদিকে ইরানকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, তিন পক্ষ মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে।
তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের নেতৃত্বে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ এবং জার্ড ক্রুসনার ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে দেখা করেন। ওই সময় সেখানে পাকিস্তানে সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনিরও উপস্থিত ছিলেন।
ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় করবে যুক্তরাষ্ট্র : কাতার এবং অন্যান্য বিদেশি ব্যাংকে জব্দ ইরানের সম্পদ ছাড় করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে- বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইরানের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছিল। তবে বিষয়টি নজরে আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউস বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
এর আগে ইরানের জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে ওই সম্পদ ছাড়ের কথা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে পাকিস্তানে তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে বৈঠকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে—এটা তারই ইঙ্গিত। তিনি বলেন, ইরানের সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
উল্লেখ্য, আলোচনার আগে তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া ১০ দফার মধ্যে ইরানের সম্পদ ছাড়ের বিষয়টিও যুক্ত ছিল।
ওয়াশিংটন ঠিক কোন সম্পদ ছাড় দিতে রাজি হয়েছে, রয়টার্সের সঙ্গে আলাপকালে তা উল্লেখ করেননি ইরানের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তবে দ্বিতীয় একটি ইরানি সূত্র বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র কাতারে আটকে রাখা ইরানের তহবিলের মধ্যে ৬০০ কোটি ডলার ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে। এ বিষয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পায়নি রয়টার্স।
এদিকে ইরানের সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত সম্পদ ছাড়ের খবর অস্বীকার করেছেন হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা।
শাহবাজ শরিফ ও জেডি ভ্যান্সের বৈঠক : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে জেডি ভ্যান্স বর্তমানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থান করছেন। মার্কিন প্রতিনিধিদলের হয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মূল বৈঠকে বসার আগে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিলেন।
বৈঠকে ভ্যান্সের সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পাকিস্তানের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। এর আগে এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আশা প্রকাশ করেন, এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় ধাপ হিসেবে কাজ করবে। একইসঙ্গে দুই পক্ষকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দিতে পাকিস্তানের অঙ্গীকারের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
শাহবাজের সঙ্গে বৈঠক করল ইরানি প্রতিনিধিদল : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইরানের প্রতিনিধিদল। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে এ প্রতিনিধিদলে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার উদ্দেশ্যে ইরানি প্রতিনিধিদল এখন ইসলামাবাদে অবস্থান করছে। আজ শনিবার তারা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই বৈঠকে অংশ নেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুরু হতে যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা এবং দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
পাকিস্তান সম্পর্কে বিশ্ব মনোভাব ৭০ শতাংশ ‘ইতিবাচক’ : বিশ্বমঞ্চে দেশটির ভাবমূর্তি নাটকীয়ভাবে বদলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর পাকিস্তানের প্রতি বিশ্ববাসীর দীর্ঘদিনের নেতিবাচক ধারণা এখন ইতিবাচক মনোভাবে রূপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ইপসোসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত মাসের শেষ দিকেও পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিশ্বে ৯০ শতাংশ মানুষের নেতিবাচক ধারণা ছিল। তবে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ এখন পাকিস্তানের বিষয়ে ইতিবাচক মত দিচ্ছেন। পাকিস্তানের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও খোদ পাকিস্তানের ভেতরেই সবচেয়ে বেশি ছিল। দেশটির অনেক নাগরিক সরকারের বৈধতা ও রণকৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘থ্যাংক ইউ পাকিস্তান’ হ্যাশট্যাগটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল এ যুদ্ধবিরতির জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করছে।
এমনকি ভারতের অনেক নাগরিকও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে পাকিস্তানের এ কূটনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করছেন।
‘পুরোপুরি অবিশ্বাস’ নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান- আব্বাস আরাগচি : যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘পুরোপুরি অবিশ্বাস’ নিয়ে ইরান আলোচনায় বসছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়েডফুলের সঙ্গে আলাপকালে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন বলে খবর দিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ।
আরাগচি বলেন, ইরান তার দেশের জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় পুরো শক্তি দিয়ে লড়বে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে তিনি ওয়াশিংটনের অতীতের নানা কর্মকাণ্ডকে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ ও ‘কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আজ শনিবার থেকে দুই দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আলোচনার শুরুতেই ইরানের এই কঠোর অবস্থান আলোচনার ফলাফল নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নেবে, আশা পাকিস্তানের : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গঠনমূলক শান্তি আলোচনায় অংশ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ইসলামাবাদের পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি বিবৃতিতে এমনটা বলা হয়েছে।
ঐতিহাসিক এ আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন প্রতিনিধিদল আজ শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। ইরানের প্রতিনিধিদল পৌঁছেছে গতকাল শুক্রবার রাতে। ইসহাক দার বলেছেন, ‘স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে’ পৌঁছাতে দুপক্ষকে সহযোগিতা করে যেতে চায় ইসলামাবাদ।
ইরানি প্রতিনিধিদলের বিমানে মিনাব স্কুল হামলায় নিহতদের ছবি : পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আসা ইরানি প্রতিনিধিদলের বিমানের ভেতরের ছবিতে দেখা গেছে, আসনগুলোতে মিনাব স্কুল হামলায় নিহতদের ছবি ও তাঁদের জিনিসপত্র রাখা হয়েছে। ‘মিনাব ১৬৮’ নামের এ বিমানটি মূলত ওই হামলায় নিহত ১৬৮ জনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাজানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল শিশু।
আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বিশ্বাস নেই - ইরানের স্পিকার : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান পৌঁছে ইরানের প্রধান আলোচক পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, তাঁদের প্রতিনিধিদল আশাবাদী, তবে তারা মার্কিন প্রতিপক্ষকে বিশ্বাস করছে না।
শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পৌঁছায় ইরানের প্রতিনিধিদল। স্পিকার গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর, ডিফেন্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলী আকবর আহমাদিয়ান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোল নাসের হেম্মাতি এবং কয়েকজন আইনপ্রণেতা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে গালিবাফ বলেন, ‘আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু (যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি) আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই।’
ইরানের প্রধান আলোচক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি একটি ‘প্রকৃত চুক্তির জন্য প্রস্তুত’ থাকে, তবে ইরানও প্রস্তুত হতে পারে।
গালিবাফ আরও বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, আমেরিকানদের সঙ্গে আমাদের আলোচনার অভিজ্ঞতা সব সময় ব্যর্থতা এবং প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।’
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে পারমাণবিক অস্ত্র- ট্রাম্প : ইরানের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এ নিয়ে কোনো বিকল্প পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই। এ আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি গুরুত্ব পাবে বলেও জানান তিনি।
ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলের উদ্দেশে উড়োজাহাজে ওঠার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে যাওয়ার আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে তিনি কী বলেছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তাঁকে শুভকামনা জানিয়েছি।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা কি একবারেই শেষ হবে নাকি আগামী সপ্তাহগুলোতেও চলবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন বলে জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কোনো বিকল্প পরিকল্পনা (ব্যাক-আপ প্ল্যান) আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো বিকল্প পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই।’
ইরানের সঙ্গে একটি ভালো চুক্তি কেমন হতে পারে—অন্য এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।’ এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর মতে ইরানে ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন (রেজিম চেঞ্জ) ঘটে গেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি ‘খুব শিগগিরই’ খুলে দেওয়া হবে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটির প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলো থেকে ইরান টোল আদায় করবে—এমন সংবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এমনটা হতে দেব না।’