ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

সীমান্তে উত্তেজনা, কঠোর বিজিবি

সীমান্তে উত্তেজনা, কঠোর বিজিবি

লালমনিরহাটের আদিতমারী, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার চারটি সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ৩০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে গতকাল শুক্রবার ভোর পর্যন্ত এসব চেষ্টাকে রুখে দেওয়ার দাবি করেছে বিজিবি। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় অনুপ্রবেশের এসব চেষ্টা ব্যর্থ করা হয়। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সীমান্তগুলোতে বিজিবি ও বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থানে আছে। গতকাল সকালে ওই ব্যক্তিদের লাগেজসহ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে দেখা যায়।

লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আদিতমারী উপজেলার দীঘলটারী ও দুর্গাপুর সীমান্তের ৯২৫ ও ৯২৭/৭-এস নম্বর মেইন পিলার এলাকায় ১২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপস্থিতি টের পান বিজিবি সদস্যরা। পরে হ্যান্ডমাইকের মাধ্যমে সতর্ক করা হলে তাদের ভারতীয় অংশে সরে যেতে দেখা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তে ভারতীয় রানীনগর-৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি। তবে এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে এখনও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়ন সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ- এমন অভিযোগ করেছে বিজিবি। গতকাল ভোরে তিস্তা-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বড়খাতা কোম্পানির টহল দল স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তাদের অনুপ্রবেশ ঠেকিয়ে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই ১২ জন শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

অন্যদিকে পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ঝালাঙ্গী (পকেট) সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ আরও ১০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি। গতকাল শুক্রবার ভোরে বিজিবির টহল দল ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের অনুপ্রবেশ প্রতিহত করেন। এ ঘটনাতেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

সীমান্তের পরিস্থিতি সম্পর্কে তিস্তা-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তানভীর আহমেদ বলেন, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্তে ২১ জনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারা কাজ করছেন। পরে বিস্তারিত জানানো হবে। এদিকে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আদিতমারী সীমান্তে ১২ জনের অনুপ্রবেশচেষ্টার তথ্য নিশ্চিত করেছে। লালমনিরহাট জেলার একাধিক সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা এবং তা প্রতিহত করার বিষয়টি বিজিবির রংপুর সেক্টরও পৃথক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডেই সেই ২৮ জন : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের ঠেলে পাঠানো সেই ২৮ জন নোম্যান্সল্যান্ডে অবস্থান করছে। বিএসএফ এখনও তাদের ফেরত নেয়নি। এমনকি তাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্তও জানায়নি বিজিবিকে। গতকাল শুক্রবার সকালে বিজিবির ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম এ তথ্য জানিয়েছেন। বিজিবি অধিনায়ক বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ওই ২৮ জন সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে অবস্থান করছে। বর্তমানে তারা সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে নোম্যান্সল্যান্ডের ভারতীয় অংশের ৫০ গজ অভ্যন্তরে রয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকালে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই পতাকা বৈঠকে বিএসএফ ২৮ জনকে ঠেলে পাঠানোর কথা স্বীকার করে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলেও বিজিবিকে আশ্বস্ত করেন বিএসএফের কর্মকর্তারা। কিন্তু পরবর্তীকালে আর কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি বিজিবিকে। শূন্যরেখায় অবস্থানকারীরা এখন চরম অমানবিক পরিস্থিতিতে পড়েছেন। তারা খোলা আকাশের নিচে তীব্র গরম আর বৃষ্টিতে অবর্ণনীয় দুভোগ পোহাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান বলেন, রাতে বিএসএফ জোর করে ২৮ জনকে পুশইন করার চেষ্টা করে। পরে বিজিবি তাদের বাধা দেয়। সীমান্তের শূন্য লাইনে তারা মানবেতর সময় পার করছে। বৃষ্টিতে ভিজে নাজেহাল অবস্থা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তারা শুধু মুসলমান হওয়ার কারণে ভারতে তাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব না। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা শামিম বলেন, আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থায় আছি। কোনোভাবেই বিএসএফের অমানবিক আচরণ মেনে নেব না।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নাসিরুল ইসলাম জানান, গভীর রাত থেকে ২৮ জন ব্যক্তি শূন্য লাইনে আটকে আছে। বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে পুশইন করতে চায়; কিন্তু বিজিবি তাদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। এতে শূন্য লাইনে রাতভর তারা অবস্থান করছে। ভয় আর শঙ্কায় তাদের সময় পার হচ্ছে। খাওয়া-দাওয়া ছাড়া এবং গরমে তাদের অমানবিক জীবন পার করতে হচ্ছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সীমান্ত পিলার ২০৩/৬-আর সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ওই ২৮ জনকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠানোর হয়। বিএসএফের ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ঠেলে পাঠায়। ওই ২৮ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ৬ জন শিশু রয়েছে। তবে বিজিবির প্রতিরোধের মুখে ২৮ জন বাংলাদেশে আসতে পারেনি। এরপর থেকেই তারা নোম্যান্সল্যান্ডে অবস্থান করছেন। ঘটনার পর গতকাল বিকালে বিজিবির রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল কামাল হোসেন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পঞ্চগড় সীমান্তে ‘পুশইন’ করার চেষ্টা বিএসএফের, শূন্যরেখায় নারী-শিশুসহ ১০ জন : পঞ্চগড় সদর উপজেলার বড়বাড়ি-প্রধানপাড়া গ্রামের সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে কঠোর নজরদারির কারণে তারা প্রবেশ করতে পারেননি বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল শুক্রবার ভোর থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পুশ ইনের চেষ্টার শিকার ওই ১০ জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। এ সময় দুই পাশে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।

কোনো দেশই সীমান্তে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় শূন্যরেখার খোলা আকাশের নিচে ফসলি জমিতে ওই ১০ জনকে বসিয়ে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ পুরুষ, দুই নারী ও তিন শিশু আছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় গতকাল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বড়বাড়ি-প্রধানপাড়া সীমান্তে বিজিবির বড়বাড়ি ও বিএসএফের সাকাতি ক্যাম্পের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দুপুর সোয়া ১২টার দিকে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিএসএফের সঙ্গে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ওই ১০ জন বাংলাদেশের নাগরিক বলে বিএসএফ দাবি করেছে। তবে তারা বাংলাদেশি কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ জন্য আমরা তাদের গ্রহণ করছি না। তা ছাড়া এভাবে ঠেলে পাঠানো তো কোনো নিয়মের মধ্যে পড়ে না।’

‘পুশইন’ ঠেকাতে নেত্রকোনা সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার : দেশের চলমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইন চেষ্টার ঘটনায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই অংশ হিসেবে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধীনে সব সীমান্ত তল্লাশি চৌকিতে (বিওপি) জনবল বৃদ্ধি এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী গতকাল শুক্রবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সম্ভাব্য পুশইন এলাকাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় সীমান্তে বিজিবির কঠোর উপস্থিতি বিএসএফকে জানান দিতে মেগাফোন, লাইট ও বাঁশি ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষায় স্থানীয় গ্রামবাসীকে সম্পৃক্ত করে তথ্য সংগ্রহ ও যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার রাতে দেশের কয়েকটি সংবাদপত্রে দুর্গাপুর সীমান্ত দিয়ে ১৩৭ জনকে পুশইন করার চেষ্টা বিজিবি ও গ্রামবাসীর বাঁধায় ব্যর্থ মর্মে প্রকাশিত সংবাদটিকে ভুল এবং অসত্য বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি কর্তৃপক্ষ।

নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী জানান, দুর্গাপুর সীমান্তে পুশইন চেষ্টার যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে সেটি ছিল নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীদের একটি যৌথ টহল। সীমান্তে পুশইন সংক্রান্ত এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও জানান, পুশইন ঠেকাতে সোর্স এবং স্থানীয়দের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ধরনের কোনো ঘটনা বা নির্ভরযোগ্য তথ্য থাকলে তা গণমাধ্যমকে দ্রুত অবহিত করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৎপর রয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

জয়পুরহাটে গ্রামবাসীকে নিয়ে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি : জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দুটি পৃথক পুশইনের চেষ্টা সফলভাবে রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে সতর্কতাবস্থা জারির পাশাপাশি অতিরিক্ত জনবল ও টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিজিবি জানায়, বুধবার রাতে বিএসএফ পুশইনের একটি অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে বিজিবি তা নাকচ করে দেয়। একই রাতে সীমান্তে পুশইনের একটি প্রত্যক্ষ চেষ্টা চালানো হয়। তবে বিজিবির কঠোর নজরদারির মুখে সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতেও সীমান্তের জিরো লাইনে সন্দেহভাজন গতিবিধি নজরে আসে বিজিবির। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিজিবির টহল দল সারারাত সীমান্ত পাহারা দেয়। ফলে অনুপ্রবেশের সব ধরনের চেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।

২০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী বলেন, সাধারণত বিএসএফ প্রথমে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার রুটিন কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে পুশইনের চেষ্টা চালায়। তবে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কিংবা পুশইন কোনোটিই মেনে নেওয়া হয়নি।

তিনি আরও জানান, জয়পুরহাটের হিলি ও কয়া এলাকার মতো কাঁটাতারবিহীন স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে বিজিবির সর্বোচ্চ জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি এককভাবে নয়, বরং আনসার, ভিডিপি ও গ্রাম রক্ষা পুলিশকে যুক্ত করে সমন্বিতভাবে যৌথ টহল পরিচালনা করছে। সীমান্তে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানোর সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত