ঢাকা শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

মালয়েশিয়ায় ‘মদ্যপ’ সেনা কর্মকর্তার গাড়ির ধাক্কায় বাংলাদেশি নিহত

মালয়েশিয়ায় ‘মদ্যপ’ সেনা কর্মকর্তার গাড়ির ধাক্কায় বাংলাদেশি নিহত

মালয়েশিয়ায় এক সেনা কর্মকর্তার গাড়ির ধাক্কায় একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার সময় ওই সেনা কর্মকর্তা ‘মদ্যপ’ অবস্থায় ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।

ফ্রি মালয়েশিয়ার টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে কুয়ালালামপুরের এমইএক্স হাইওয়েতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কুয়ালালামপুর ট্রাফিক তদন্ত ও আইন প্রয়োগকারী বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ জামজুরি মোহাম্মদ ঈসা জানান, গতকাল ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে দুর্ঘটনার খবর পায় পুলিশ। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ৩১ বছর বয়সি ওই সেনা কর্মকর্তা তার ফোর্ড ফিয়েস্তা গাড়িটি নিয়ে ভুল পথে ঢুকে পড়েন এবং বিপরীত দিক থেকে আসা ই-হেইলিং ট্যাক্সি পরিষেবার একটি পেরোদুয়া আলজা এমপিভি গাড়িকে সরাসরি ধাক্কা দেন। জামজুরি আরও জানান, ঘটনার সময় ই-হেইলিং গাড়িটিতে ২২ বছর বয়সী এক পুরুষ ও ২০ বছর বয়সী এক নারীসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিক যাত্রী হিসেবে ছিলেন, যারা কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) থেকে ফিরছিলেন। সংঘর্ষে পেছনের আসনে বসে থাকা পুরুষ যাত্রীটি মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। এ সময় গাড়িতে বাংলাদেশি নারী ও ৪১ বছর বয়সি ই-হেইলিং চালক গুরুতর আহত হন, তাদের কুয়ালালামপুর হাসপাতালে (এইচকেএল) ভর্তি করা হয়েছে। তবে নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় প্রকাশ করেনি মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে ফোর্ড ফিয়েস্তা চালক সেনা কর্মকর্তা ও তার গাড়িতে থাকা ৩৬ বছর বয়সি এক স্থানীয় নারী যাত্রীও আহত হয়েছেন, তিনিও এইচকেএল-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জামজুরি বলেন, ব্রেথঅ্যালাইজার পরীক্ষায় দেখা গেছে- ওই সেনা কর্মকর্তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করেছিল। তার বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর দায়ে সড়ক পরিবহন আইন ১৯৮৭-এর ৪৪(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে। তদন্তে সহায়তার জন্য প্রত্যক্ষদর্শীদের দুর্ঘটনার বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য ট্রাফিক পুলিশ সদর দপ্তর অথবা নিকটস্থ যেকোনো থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালেদ নরদিন বলেছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিটি সামরিক বাহিনীর সদস্য হলেও তদন্তটি পুলিশের এখতিয়ারভুক্তই থাকবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত