
ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিজ বাসার সামনে ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতাকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে পালিয়েছে কয়েকজন।
৫৫ বছর বয়সি নুরুল ইসলাম ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
গতকাল শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মোহাম্মদপুরের সাতমসজিদ হাউজিংয়ের ৪ নম্বর সড়কে তার বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক রাকিবুজ্জামান রাকিব।
মুখের বাম পাশে, কাঁধে ও বাম হাতে গুরুতর জখমপ্রাপ্ত নুরুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিদর্শক রাকিবুজ্জামান রাকিব বলেন, ‘দুটি বাইকে করে কয়েকজন এসে তাকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে চলে গেছে। কেউ বলছে চারজন ছিল, কেউ বলছে ছয়জন ছিল।’
কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে বলার মতো এখনো সময় হয়নি। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’
তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ‘রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে’ হামলাটি হয়েছে।
আহত নুরুল ইসলামের ছোট ভাই বিল্লাল হোসেন ঢাকা মেডিকেলে বলেছেন, জুমার নামাজ শেষে বাসার নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার ভাই। এ সময় দুটি বাইকে করে আসা ৫-৬ জন তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
নুরুল ইসলামের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, নুরুল ইসামের মুখ, কাঁধসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিএনপির এই নেতা গ্রামের বাড়ি ভোলার লালমোহন এলাকার ওয়াজেদ আলীর ছেলে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে সাতমসজিদ হাউজিংয়ের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন তিনি।