
দেশের নৌ খাতের সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, নৌ-নিরাপত্তা জোরদার এবং জেলে ও নৌ-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নৌযান শুমারি। এ শুমারিকে সফল করতে নৌযান মালিক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ভুল তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চট্টগ্রাম কার্যালয় আয়োজিত নৌযান শুমারি-২০২৬ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর যুগ্ম পরিচালক ওয়াহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম পরিচালক মো. সেলিম। সেমিনারে জানানো হয়, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের সমুদ্রগামী ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানের সংখ্যা, ধরন এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হবে। এই তথ্যভাণ্ডার নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নৌ-দুর্ঘটনা কমানো এবং নৌ-শ্রমিকদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে হবে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ঘাটতির কারণে অনেক সময় সম্পদের অপচয় হয়। সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার মাধ্যমে এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।