
কনস্ট্রাকশন সেক্টরে ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প- সবখানেই প্রয়োজন স্ক্যাফোল্ডিং। আর এ কাজে দক্ষ জনবলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। দেশের নির্মাণ খাতের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারেও বাড়ছে স্ক্যাফোল্ডারদের চাহিদা। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশে মানসম্মত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ স্ক্যাফোল্ডার তৈরির লক্ষ্যে কারিকুলাম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)।
এর অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার কনস্ট্রাকশন সেক্টরের অধীন ‘স্ক্যাফোল্ডিং’ অকুপেশনের কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড (সিএস) ও কোর্স অ্যাক্রিডিটেশন ডকুমেন্ট (সিএডি) ভ্যালিডেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনএসডিএর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় শিল্পখাতের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, একাডেমিয়া, বিশেষজ্ঞ ও এনএসডিএর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী।
সভাপতির বক্তব্যে ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেন, দেশে স্ক্যাফোল্ডিং পেশায় কাজ করা অনেক কর্মী প্রচলিত বা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দক্ষতা অর্জন করেন। কিন্তু নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ সীমিত। নতুন কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড ও প্রশিক্ষণ কাঠামো চালু হলে এ ঘাটতি কমে আসবে।
এনএসডিএ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আরো বলেন, শুধু দেশের নির্মাণ খাত নয়, বিদেশের শ্রমবাজারেও বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে এ উদ্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবকাঠামো ও নির্মাণ প্রকল্পে স্ক্যাফোল্ডারদের প্রয়োজন রয়েছে। উল্লেখ্য, স্ক্যাফোল্ডিং হলো নির্মাণকাজে শ্রমিকদের নিরাপদে উঁচু স্থানে ওঠা, চলাচল ও কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অস্থায়ী কাঠামো। এটি স্থাপন বা ব্যবহারে দক্ষতার ঘাটতি থাকলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই এ পেশায় প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপদ্ধতি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।