
মানুষকে ভোটদানে উৎসাহিত করতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ভোটের রিকশার ব্যবস্থা করেছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত প্রচারণামূলক কার্যক্রম ‘ভোটের রিকশা’র উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে ভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য, মানুষকে ভোটদানে উৎসাহিত করার জন্য আমরা প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ভোটের রিকশার ব্যবস্থা করেছি। এই ভোটের রিকশাগুলোতে মাইকিং হবে। সেখানে জনগণকে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে একইসঙ্গে নির্ভয়ে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হবে।’
‘সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটে জনগণ যেন পরিবর্তনের স্বপক্ষে থেকে হ্যাঁ ভোট প্রদান করে- সেই আহ্বান এবং জনগণ হ্যাঁ ভোট প্রদান করলে কী কী জিনিস পাবে, রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতার ভারসাম্যে, জনগণের ক্ষমতায়নে, মানুষের অধিকারের বিস্তৃতি ঘটানোর ক্ষেত্রে কোন কোন পরিবর্তন আসবে- তাদেরকে সেগুলো বোঝানো হবে’, বলেন তিনি।
‘গণভোট হচ্ছে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন, এখানে দলীয় বা ব্যক্তিগত স্বার্থ দেখলে চলবে না’ উল্লেখ করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থে যদি আপনি হ্যাঁ বলেন, আপনি কোনো দলকে পছন্দ করেন আর না করেন দেশ কিন্তু জিতে যাবে। যদি দেশ জিতে যায়, আমরা সকলে জিতে যাব।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই না, যেখানে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। আমরা এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই না, যেখানে জনগণের মুখোমুখি হয়ে উত্তর দেওয়ার সাহস থাকবে না, সদুত্তর দেওয়ার সাহস থাকবে না। কাজেই আমরা ব্যক্তি বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে, দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে, দেশের স্বার্থে গণভোটকে হ্যাঁ বলব।’
রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, ‘নির্বাচন, সংস্কার, বিচার এই তিনটাই হচ্ছে আমাদের মোটাদাগের প্রধান কাজ।
আমরা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা কাকে ভোট দেবেন সম্পূর্ণ আপনাদের বিষয়।’