ঢাকা শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

বন্দুকের ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত ইরান

বললেন আব্বাস আরাঘচি
বন্দুকের ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত ইরান

যে কোনো আগ্রাসনের জবাবে ইরান বন্দুকের ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। স্থানীয় সময় গত বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পোস্টে আরাঘচি লেখেন, প্রিয় ভূমি, আকাশ ও সমুদ্রের বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানাতে আমাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনী ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আগ্রাসন চালায়, তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে।

তিনি আরও লেখেন, গত বছরের জুনে ইসরায়েলের কয়েক দিনব্যাপী সামরিক হামলা ও একই সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার মধ্য দিয়ে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে পাওয়া মূল্যবান অভিজ্ঞতা আমাদের আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও গভীরভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা দিয়েছে। আরাঘচির এই বক্তব্য আসে এমন এক সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরানের কঠোর অবস্থানের কারণে ওয়াশিংটনের চাপ বাড়ছে তেহরানের ওপর।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, একটি বিশাল সামরিক নৌবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই বহর প্রয়োজনে দ্রুত ও সহিংসতার সঙ্গে তাদের মিশন বাস্তবায়নে প্রস্তুত, সক্ষম ও ইচ্ছুক।

ট্রাম্প আরও বলেন, আশা করি ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে আসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তি করবে। কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়। সময় ফুরিয়ে আসছে, বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি! আমি আগেও ইরানকে বলেছিলাম, একটি চুক্তি করো। পারমাণবিক অস্ত্র প্রসঙ্গে ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে এমন অবস্থায়, যখন তিনি আগেও বারবার দাবি করেছেন যে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়ে গেছে। এছাড়া গত জুনে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, তেহরান যদি চুক্তিতে সম্মত না হয়, তাহলে পরবর্তী হামলা হবে এর চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত