
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। জাতীয় এই সংসদ নির্বাচনে ৭টি সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপারে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে তা নাচক করে দিয়ে প্রতীক প্রত্যাহারের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। ইতোমধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনালের মিয়া গোলাম পরওয়ারের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৬(২)-এ ‘যে ক্ষেত্রে কোনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, সেই ক্ষেত্রে দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী কোনও ব্যক্তি, তৎকর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি লিখিত নোটিশ দ্বারা, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের তারিখে বা উহার পূর্বে, তিনি স্বয়ং বা এতদুদ্দেশ্যে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনও ব্যক্তির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারকে কোনও প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন সম্পর্কে অবহিত করবেন এবং সেই দলের অন্যান্য প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত হবে’ মর্মে উল্লেখ রয়েছে। এ অবস্থায় প্রতীক প্রত্যাহারের সুযোগ না থাকার বিষয়টি আপনার সদয় অবগতির জন্য নির্দেশিত হয়ে জানানো হলো।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে যে সাত আসনে প্রতীক প্রত্যাহার চেয়েছে সেগুলো হলো—চট্টগ্রাম-৮, নরসিংদী-২, ভোলা-২, নরসিংদী-৩, নারায়ণগঞ্জ-৩, সুনামগঞ্জ-১ ও চট্টগ্রাম-১২। ২১ তারিখে প্রতীক বরাদ্দ চূড়ান্ত হয়েছে। এরপরেও কোনও দল প্রতীক প্রত্যাহার করতে পারেন কিনা জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, এটার কোনও সুযোগ নাই। আমরা বলেছি, প্রতীক বরাদ্দের নির্ধারিত তারিখের পরে নতুন করে প্রতীক প্রত্যাহারও করা যাবে না, বরাদ্দ করা যাবে না। যারা এ জন্য (প্রতীক প্রত্যাহার) চিঠি দিয়েছে সেটা আইনসিদ্ধ না।