ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

আ.লীগ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে : মঈন খান

আ.লীগ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে : মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ‘বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিগত ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিলাতে পাচার হয়েছে। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের ঘাম ঝরা অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে।’

তিনি বলেছেন, ‘যে পরিমাণ টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে, সেই টাকায় বাংলাদেশে ১০০টি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা যেত।’ গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী ব্যাংক বীমা পেশাজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা আয়োজিত ‘গত ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে ব্যাংক-বীমা লুটপাট, বর্তমান সংকট এবং উত্তরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মঈন খান বলেন, ‘এ দেশের কোটি কোটি মানুষ জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে, তারা এমনভাবে জীবনযাপন করবে যাতে তাদের পেটের ক্ষুধা নিয়ে চিন্তা করতে না হয়- এটাই ছিল আমাদের স্বপ্ন।’ তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু তৈরি করতে শেখ হাসিনার সরকার বেশিভাগ টাকা লুটপাট করে নিজেরা ভাগ করে নিয়েছে। আর এই ১৫ বছরে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে নানা মিথ্যা অপবাদ দেয়া হলেও একটি অপবাদ তারা দিতে পারেনি- জিয়া দুর্নীতিবাজ ছিলেন।’

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, রাজনীতি মানুষের জীবনে কোনো আবেদন রাখবে না, যদি না সেই রাজনীতি মানুষের জীবনধারার ভাগ্য উন্নয়নে অবদান রাখতে না পারে। এ দেশের দরিদ্র মানুষের যদি ভাগ্যের উন্নয়ন না হয়, যদি তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন না হয়, তারা যদি একটি সুন্দর জীবন নিয়ে গড়ে উঠতে না পারে, তাহলে এই রাজনীতি মূল্যহীন।’

দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গে মঈন খান বলেন, ‘আমাদের সমাজ থেকে দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। এটা যদি করতে না পারি, তাহলে আমরা কখনোই বাংলাদেশকে উন্নতি করতে পারব না। যত সংস্কারই করি না কেন, দুর্নীতি দূর না হলে দেশ এগোবে না। দুর্নীতির ফলে শুধু কিছু মানুষ লাভবান হয়, আর তারা হলো দুর্নীতিবাজরা। আমরা যদি গরিব মানুষের জন্য কাজ করি, তাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করি, তাহলেই দেশ উন্নয়ন হবে, অর্থনীতির উন্নতি হবে।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এম ওয়াহিদ মজুমদার। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা প্রমুখ।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত