
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘একজন খালেদা জিয়া ছিলেন বলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত ছিল।’ গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রদর্শনীটি আয়োজন করেছে ‘বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল ফোরাম, ঢাকা’। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে যে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসছে, সেই বিদ্যুৎ প্লান্টটি (কেন্দ্র) খোদ ভারত সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বাতিল করে দিয়েছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে সেই বিতর্কিত প্রকল্পটি বাংলাদেশের রামপালে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়াকে দিয়ে এমন দেশবিরোধী প্রকল্প করানো সম্ভব ছিল না বলেই তাঁকে জেলে বন্দি করা হয়েছিল এবং সুচিকিৎসা না দিয়ে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, বাংলাদেশে এখনও বিপুল পরিমাণে কয়লা ও গ্যাসের মজুদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদ কুক্ষিগত করার জন্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক মহাশক্তিগুলো বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল ফোরামের সভাপতি মারুফা রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আতিকুর রহমান ও দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মো. হেলালুজ্জামান লালু। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকার সহ-সভাপতি ফেরদৌস মামুন, সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন জনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম আমিনুল ইসলাম ও গোলাম রাব্বী সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম জনিসহ সাংগঠনিক সম্পাদক রামীম হাসান, অর্থ সম্পাদক ইসহাক আসিফ, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, প্রকাশনা সম্পাদক তিনা খানম, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক মো. রেজওয়ান-উল-আরেফিন রাফি, ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক মির্জা সম্রাট রেজা, সমাজসেবা সম্পাদক আজাদ আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক নিশাদ তামান্না জামান এবং নির্বাহী সদস্য শামীম আহসান তালুকদার, অরণ্য পাশা, আলমগীর সরকার লিটনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। আলোকচিত্র প্রদর্শনীটি আগামী আরও দুই দিন চলবে।