
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধীদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে হত্যাকারী, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ, মাদক দ্রব্য উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণ, প্রতারক ও বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত চাঞ্চল্যকর এবং আলোচিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল রোববার কাওরান বাজার, র্যাব মিডিয়া সেন্টারে, অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ, বিপিএমণ্ডসেবা মহাপরিচালক, র্যাব ফোর্সেস সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি সাম্প্রতিক সময়ে র্যাবের উল্লেখ্যযোগ্য সাফল্যসমূহ সবার সামনে তুলে ধরেন-
র্যাব ফোর্সেস গত তিন মাসে অস্ত্র সংক্রান্ত অভিযান পরিচালনা করে ৩৩১টি অস্ত্রসহ সর্বমোট ১০৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। উল্লেখযোগ্য অভিযানগুলো হলো গত ৮ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জে, ০৯ মার্চ সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাধীন এলাকায়, ১০ মার্চ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে এলাকায় এবং ২৭ মার্চ রাজধানীর রূপনগর এলাকায় পরিচালিত অভিযান। চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান পরিচালনার সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাব সদস্য ডিএডি মোতালেব হোসেন নিহত হয়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় ২৯ জনকে অভিযুক্ত করে র্যাব একটি মামলা দায়ের করে। এরপর গত ৯ মার্চ জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযান পরিচালনার করে র্যাব এবং পুলিশ কর্তৃক সর্বমোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও গত ৯০ দিনে হত্যা সংক্রান্ত মামলায় ৪৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অভিযান গুলোর মধ্যে গত ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঝিনাইদহ সদর থানাধীন এলাকায় এবং গত ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে মাদারীপুর জেলার সদর থানাধীন এলাকায় পরিচালিত অভিযান। গত তিন মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রায় ১৭৫ জন, ছিনতাইকারী ৬১, ডাকাত ১০৬, মানবপাচারকারী ২৬ জনসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় ৩৪৭৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও মাদকবিরোধী অভিযানে ১১১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্র: সংবাদ বিজ্ঞপ্তি