
দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকারি পর্যায়ে প্রচারণা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে পর্যটন খাতে কর্মরত সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনাইটেড ট্যুরিজম স্টেক হোল্ডার সোসাইটি অব বাংলাদেশ শীর্ষক সংগঠনের আয়োজনে গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, দেশের পর্যটন খাতের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা ছাড়াও দেশের তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আর এজন্য সরকারকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রচারণা বাড়াতে হবে। জাতীয় অর্থনীতিতে এ খাতের অবদান বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরার আগে এই খাতের করণীয় বিষয়ে গবেষণার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পর্যটন খাতের উদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞ, একাডেমিশিয়ান এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা। বক্তারা বলেন, প্রয়োজনীয় গবেষণা না হওয়ায় এবং বিশ্বাসযোগ্য পরিসংখ্যান না থাকার কারণে বাংলাদেশের ট্যুরিজম আইকন বা ট্যুরিজম প্রডাক্ট তৈরি করা যায়নি। বক্তারা আরও বলেন, বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো বাংলাদেশে অনেক পর্যটন স্পট রয়েছে। কিন্তু সরকারি পর্যায়ে পজিটিভ প্রচারণা ও স্থাপত্য উন্নয়ন ছাড়া এগুলোর বিকাশ হবে না।
পর্যটন সেক্টরের উদ্যোক্তারা বলেন, ৪০ লাখ মানুষ এখন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত আছে।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুরিজমের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বদিউজ্জামান ভূইয়া বলেন, পৃথিবীর ৫১টি দেশের অর্থনীতির প্রধান খাত পর্যটন। আলোচনায় অংশ নিয়ে নভোএয়ারের এমডি মফিজুল ইসলাম বলেন, পর্যটন খাতের সকল স্টেকহোল্ডারকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। টোয়াবের উপদেষ্টা সৈয়দ হাবিব আলি বলেন, সরকার আগ্রহী না হলে পর্যটন খাতের উন্নতি হবে না। ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক সিইও জাবেদ আহমেদ বলেন, ট্যুরিজম যে গ্রোথইঞ্জিন সেটা সরকারকে বোঝাতে পারলে নিশ্চয় সরকার এই খাতের বিকাশে আরো এগিয়ে আসবে।