ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

গাজীপুরে ম্যানহোল যেন নগরবাসীর মরণফাঁদ

গাজীপুরে ম্যানহোল যেন নগরবাসীর মরণফাঁদ

গাজীপুরে যত্রতত্র ঢাকনাবিহীন ড্রেন ও খোলা ম্যানহোল যেন নগরবাসীর মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব খোলা ড্রেন ও ম্যানহোল পানিতে তলিয়ে গিয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের দাবি, দ্রুত ঢাকনাবিহীন ড্রেন ও ম্যানহোল সংস্কার করে নিরবচ্ছিন্ন পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিতের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ ব্যাপারে নগর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রেনেজ সংস্কারে দরপত্র হয়েছে। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে ঠিকাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত মহাসড়কের পাশে পয়ঃনিষ্কাশন জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে এসব ড্রেন বছরের পর বছর খোলা থাকায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীসহ সাধারণ মানুষ। নির্মাণের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ অংশে বসানো হয়নি স্থায়ী ঢাকনা। বিশেষ করে চান্দনা চৌরাস্তা, বড়বাড়ি, টঙ্গীর বিভিন্ন স্থানে খোলা এসব ড্রেন ও ঢাকনাবিহীন ম্যানহোল যেন নগরবাসীর মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চান্দনা চৌরাস্তায় চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে ঊনিশে টাওয়ার পর্যন্ত মহাসড়কের এক পাশে পয়ঃনিষ্কাশন ড্রেনটি গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকনাবিহীন আছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিজেদের উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে কাঠের তক্তা ও বাঁশ দিয়ে নির্মিত ঢাকনা বসালেও মানুষের অতিরিক্ত চাপ ও ভারী যানবাহনের কারণে সেগুলো বারবার ভেঙে যাচ্ছে। এছাড়া পুরোনো হওয়ায় অনেক জায়গায় বাঁশ, কাঠের তক্তা ভেঙে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলে ড্রেন পানিতে তলিয়ে যায়। তখন খোলা ড্রেন আর রাস্তা একাকার হয়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের অভিযোগ, দেড় বছর আগে নির্মিত ড্রেনের ঢাকনা ভেঙে ফেলার পর সেগুলো আর সংস্কার করা হয়নি। খোলা এসব ড্রেনে ময়লা, আবর্জনা আর প্লাষ্টিক সামগ্রী ফেলায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়েছে। ফলে বৃষ্টি হলে ড্রেন ও রাস্তা একাকার হয়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনায় পড়েন সাধারণ মানুষ, ঘটে হতাহতের ঘটনা। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, ময়লা আবর্জনা জমে থাকায় খোলা এসব ড্রেন থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হয়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত