
বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা যখন বিদেশের মাঠে ভালো করছেন, তখন বোর্ডও গর্ব অনুভব করছে। কাউন্টি ক্রিকেটে হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের পারফরম্যান্স এবং ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে মেহেদী হাসান মিরাজের খেলা, এসব দেখে সন্তুষ্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সুযোগ পেলেই নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন তারা। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সুযোগ দিতে গিয়ে জাতীয় দলের স্বার্থকেই আগে রাখা হচ্ছে। সম্প্রতি বিগ ব্যাশের দুটি দল নাহিদ রানার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু তার বিগ ব্যাশে যাওয়া এখনও অনিশ্চিত।
গতকাল শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস জানিয়েছেন, 'নাহিদ এখনও পুরোপুরি ফিট নন। তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আছেন। বোলিং ফিটনেস ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের কথা ভাবা হচ্ছে না।' ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিসিবির অবস্থান পরিষ্কার করে শাহরিয়ার নাফিস বলেন, 'সবার আগে বাংলাদেশ টিম, তারপর খেলোয়াড়ের শারীরিক সুস্থতা। তারপরই আসে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের বিষয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২৯টি অনাপত্তিপত্র দিয়েছে বিসিবি। খেলোয়াড়দের বিদেশে সুযোগ করে দিতে বোর্ড আগ্রহী। তবে জাতীয় দলের পারফরম্যান্সে যাতে কোনো প্রভাব না পড়ে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।' বিদেশি লিগে ভালো খেলার জন্য খেলোয়াড়দেরই কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি। তাদের পরিশ্রম ও নিবেদনের ফলেই পারফরম্যান্সের মান বাড়ছে। বোর্ড শুধু সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে। হাসান মাহমুদের কাউন্টিতে অসাধারণ খেলার প্রশংসা করে নাফিস বলেন, 'তাকে কেন্টের পোস্টার বয় বলা যায়। মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে সমালোচনা হলেও তিনি কঠিন পরিস্থিতিতে সবসময় ফিরে আসেন।'
এদিকে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর এশিয়ান গেমস দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশ দলের তুমুল ব্যস্ত সময়। এই আসরের পরপরই সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হবে একটি টেস্ট এই ম্যাচ শেষে সেখানেই আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে খেলবে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ওই সিরিজ চলাকালে বাংলাদেশে চলে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই টেস্ট খেলে দক্ষিণ আফ্রিকায় উড়াল দেবে দল।