অনলাইন সংস্করণ
১৭:৪১, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতির ব্যাটিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দুই ওপেনারের মন্থর সূচনা ও দলনেতা লিটন কুমার দাসের ব্যর্থতায় ইনিংসের অর্ধেক সময় পার হতেই সমর্থকদের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। তবে পরবর্তীতে দুটি কার্যকর জুটিতে ম্যাচ ঘুরিয়ে ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।
তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয় পেয়ে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
এই জয়ে একটি নতুন রেকর্ডও গড়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি এটি। এর আগে কিউইদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ। আর নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২০১৮ সালে ২১৫ রান তাড়া করে জয় পেয়েছিল টাইগাররা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধুঁকতে থাকে সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৫.৩ ওভারে ৪১ রানে। প্রথম উইকেটটি নেন নাথান স্মিথ। সাইফ ১৬ বলে ১৭ রান করেন, আর তানজিদ করেন ২৫ বলে ২০ রান। দলনেতা লিটন দাসও সুবিধা করতে পারেননি, ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন।
১০.১ ওভারে ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে গড়ে ওঠা জুটি দলকে ম্যাচে ফেরায় এবং জয়ের ভিত গড়ে দেয়।
এর আগে চট্টগ্রামে টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন কুমার দাস নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান। শুরুতেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রান আউট হয়ে ফেরেন ওপেনার টিম রবিনসন।
তবে দ্বিতীয় উইকেটে কেতেন ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভার জুটি গড়ে চাপ সামাল দেন। তারা দুজনেই অর্ধশতক তুলে নেন এবং ৮৮ রানের জুটি গড়েন। দুজনই ৫১ রান করে আউট হন—ক্লার্ক ৩৭ বলে এবং ক্লেভার ২৮ বলে।
এই জুটি ভাঙার পর কিছুটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে রানের গতি কমে যায়। প্রথম ১০ ওভারে ১০০ রান করা দলটি পরের ৫ ওভারে তোলে মাত্র ৩০ রান। এ সময়ে বেভন জ্যাকবস ১ ও ড্যান ফক্সক্রফট ৩ রান করে আউট হন।
শেষদিকে অধিনায়ক নিক কেলি রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে ইনিংস শেষ করতে পারেননি, শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। এছাড়া জশ ক্লার্কসন ৩০ ও নাথান স্মিথ ৪ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া তিনজন বোলার একটি করে উইকেট পান।