ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

পর্তুগালকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

পর্তুগালকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

নির্ধারিত ৯০ মিনিট লড়াইয়ের পর অতিরিক্ত সময়ের ঠিক আগমুহূর্তে মিকেল মেরিনোর গোলে পর্তুগালকে বিদায় করে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী স্পেন।

সোমবার (৬ জুলাই) রাতে ডালাসে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১-০ গোলের জয়ে শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকল ‘লা রোহা’রা। অন্যদিকে, বিশ্বকাপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোদের পথচলা থামল শেষ ষোলো থেকেই।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপই হবে তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। তাই শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে জীবিত রাখতে শেষ ষোলোর ম্যাচে নেমেছিলেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দুই দল। নবম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

তিন মিনিট পরই পাল্টা জবাব দেয় পর্তুগাল। দুর্দান্ত এক আক্রমণে বল পেয়ে জোরালো শট নেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন অসাধারণ সেভে দলকে রক্ষা করেন।

১৭তম মিনিটে আবারও গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যায় স্পেন। কিন্তু পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা পরপর দুটি দুর্দান্ত সেভ করে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে দলকে বাঁচান।

এরপর পর্তুগালের আরেকটি আক্রমণের সূচনা করেন রোনালদো। তার তৈরি করা সুযোগ থেকে জোয়াও ফেলিক্সের হেড ফিরিয়ে দেন উনাই সিমন। ফিরতি বলে রোনালদোর অ্যাক্রোবেটিক শটও দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন স্পেনের এই গোলরক্ষক।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবারও চাপ বাড়ায় স্পেন। রদ্রির পাস থেকে বল পেয়ে লামিন ইয়ামাল বাঁ পায়ে জোরালো শট নেন। কিন্তু দুর্দান্ত সেভে সেই প্রচেষ্টা রুখে দেন দিয়েগো কস্তা। ফিরতি বলে আলেক্স বায়েনার শটও ঠেকিয়ে দেন তিনি। ফলে গোলশূন্য সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের উত্তাপ বাড়লেও গোলের দেখা মিলছিল না। ৫৬তম মিনিটে নুনো মেন্দেসের ইনজুরি পর্তুগালের রক্ষণভাগে কিছুটা ছন্দপতন ঘটায়। পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ জোয়াও ফেলিক্স ও জোয়াও কানসেলোকে উঠিয়ে নেন। তাদের বদলে রাফায়েল লিয়াও ও দিয়োগো দালতকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করলেও ফল আসেনি।

ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল, তখনই ম্যাচের ভাগ্য লিখে দেন বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনো। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এই মিডফিল্ডার। এই একটি গোলই শেষ পর্যন্ত স্পেনকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেয়।

আবা/এসআর/২৬

পর্তুগাল,বিদায়,স্পেন
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত