অনলাইন সংস্করণ
১৩:০১, ০৪ জুন, ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন-এর আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।
এর আগে সকাল ৯টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-কে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সোহেল রানাকে এবং ১১টা ৩৮ মিনিটে স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ লক্ষ্য করা গেছে।
বুধবার (৩ জুন) আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আদালত বৃহস্পতিবারকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন নির্ধারণ করেন।
আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে আদালত মামলার ১৬ জন সাক্ষীর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজ এবং বিভিন্ন আলামত আসামিদের সামনে উপস্থাপন করেন। সেখানে রামিসাকে খোঁজার ঘটনাপ্রবাহ, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট শনাক্তকরণ, রক্তের আলামত উদ্ধার এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের বিষয় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি অভিযোগ অনুযায়ী, সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে স্বপ্না আক্তারের ভূমিকার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার এবং স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়।
মামলায় সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত শেষে ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে গত ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।