ঢাকা সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিক সোহেলকে বাসায় পৌঁছে দিল ডিবি

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিক সোহেলকে বাসায় পৌঁছে দিল ডিবি

অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সেক্রেটারি এবং দৈনিক ভোরের কাগজের অনলাইন প্রধান মিজানুর রহমান সোহেলকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার স্ত্রী সুমাইয়া সীমার জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর ডিবির প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোয়েন্দা পরিচয়ে রাজধানীর নতুন বাড্ডার বাসা থেকে সোহেলকে তুলে নিয়ে যায় ডিবির পোশাক পরা পাঁচজন ব্যক্তি। তার স্ত্রী সুমাইয়া সীমা অভিযোগ করেন, পরিচয় দেওয়ার পর তারা সোহেলকে আটক করে নিয়ে যায়।

মধ্যরাতে সাংবাদিককে এভাবে বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি আলোচনার সৃষ্টি করে। বিদেশে অবস্থানরত অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মধ্যরাতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন যে রাত ১২টার পর সোহেলকে তুলে নেওয়ার খবর নিশ্চিত করতে তিনি ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেন।

শফিকুল ইসলাম জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তবে সোহেলকে বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় আশরাফুল নামের এক পুলিশ সদস্য তার স্ত্রীকে জানায়, ডিবি প্রধান কথা বলতে চাইলে কথা শেষেই তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হবে।

জুলকারনাইন তার পোস্টে আরও দাবি করেন, কেন রাত ১২টার পর একজন সাংবাদিককে ডিবি তুলে নিয়েছে সে বিষয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া গেছে। একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের প্ররোচনায় সাধারণ স্মার্টফোন বিক্রেতাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের দাবি তুলে ধরতে বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, যেখানে পরামর্শদাতা হিসেবে যুক্ত ছিলেন মিজানুর রহমান সোহেল।

পোস্টে বলা হয়, সেই সংবাদ সম্মেলন বানচাল ও ব্যবসায়ীদের ভয় দেখাতেই সোহেলকে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা অভিযোগ করেছেন।

জুলকারনাইন তার পোস্টের শেষে লেখেন, পুলিশকে ব্যবহার করে এভাবে একজন সাংবাদিককে হেনস্তার নিন্দা জানাই।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, যদি ফয়েজ আহমদ তৈয়ব সত্যিই এ ঘটনার পেছনে ভূমিকা রেখে থাকেন, তবে গণমাধ্যম কর্মীদের বিবেচনা করা উচিত ভবিষ্যতে তার কার্যক্রম কভার করবে কি না।

পৌঁছে দিল ডিবি,সাংবাদিক সোহেল,জিজ্ঞাসাবাদ শেষে
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত