অনলাইন সংস্করণ
১৯:১১, ০৪ জানুয়ারি, ২০২৬
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যেখানে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর রাজারবাগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রেনিং একাডেমিতে আয়োজিত ‘নির্বাচনি দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক কর্মশালা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন।
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, জাতীয় নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যেখানে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনের সময় মাঠে অবস্থানরত প্রত্যেক পুলিশ সদস্যই হবে জনগণের আস্থার প্রতীক। পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ সময় তিনি নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তীসময়ে পুলিশের করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার ২৩তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নুরুল আমিন, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ারসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর থেকে তিন দিনব্যাপী এই কর্মশালা শুরু হয়। এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনি দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এ পর্যন্ত ২২টি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। এসব ব্যাচে মোট ১৮ হাজার ১৫০ জন পুলিশ সদস্য সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। ডিএমপির ১৯টি ভেন্যুতে ২৮টি ব্যাচে সম্ভাব্য সর্বমোট ২৪ হাজার ৩৪২ জনকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।