
সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এখনো শপথ নেয়নি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নবনির্বাচিত এমপিরা। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান নির্ধারণে বৈঠকে বসেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের এমপিরা।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের। তবে বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় জোটের শরিকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে জামায়াত আমিরের নেতৃত্বে। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত জানাবেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি গণমাধ্যমকে জানান, শপথ গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জোটের নবনির্বাচিত এমপিরা বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, যেহেতু বিএনপি সংস্কার পরিষদে শপথ নেয়নি সুতরাং এটা গণভোটের সম্পূর্ণ বিপরীত। এব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বৈঠকে। বৈঠক শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে ১১ দলীয় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিচ্ছন কি-না।
এর আগে সকালে জামায়াতের নায়েবে আমির ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে জানান, দুপুর ১২টায় জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারিত রয়েছে। সংসদ ভবনে তারা যাবেন। তবে বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেন, জামায়াতের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা কোনো শপথই নেবেন না। কারণ তারা মনে করেন, সংস্কারবিহীন সংসদ অর্থহীন।