প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
কে বলে তোমার উপেক্ষা পেলে হেমন্তের মাঠ ছুঁয়ে যাব!
অনন্ত অভিমান নিয়ে, দীর্ঘশ্বাসের অবসরে।
কে তোমাকে ডেকেছে শেফালি, এই আশ্বাসে!
হেমন্তের খেয়ালি সন্ধ্যার শীতল আলোয়,
পাশেই আধখানা চাঁদ ঝুলে আছে,
নিস্তব্ধে শুয়ে পড়ছে দিনের শরীর।
তোমার অন্তরখানি উড়ে গেছে অহঙ্কারী হাওয়ায়,
সবটুকু লোভের উল্লাসে।
কার্তিকের বাতাস এসে হাহাকার করে,
হতাশার চাঁদ মরাবৃক্ষের মতো পড়ে আছে।
বিষের পেয়ালা ক্রমেই সুন্দরী হয়।
যেদিকে তাকাই, শুয়ে আছে সেই নষ্ট অর্ধেক চাঁদ।
উষ্ণতা সরে গেলে যমুনাও নষ্ট চাঁদের মতো একা পড়ে থাকে।
তবু তুমি ধরে রাখো, চোখের ভেতর সেই বিরহের উনুন,
জলের আগুনে নয়—
উপেক্ষার উনুনে ডুবে গেছে আমার জাগরণী বৃন্দাবনী চাঁদ!