প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
যেন কোনো আদিম চিত্রকর
ভিজিয়ে নিয়েছে তার কোমল তুলি,
শিশিরের স্নিগ্ধ স্পর্শে, নিঃশব্দ সমর্পণে।
রোদের ত্বকে রেশমি কুয়াশার প্রলেপ
ধানের গায়ে জমেছে শিশিরের মুক্তাদানা,
বাতাসে ঝরে পড়ে পৃথিবীর তৃষ্ণার্ত করতলে।
দিগন্তজুড়ে এক অলৌকিক অবগুণ্ঠন,
উড়ন্ত বলাকারা ছায়াপথের দিকে নয়,
উড়ে যায় এক মায়াবী নিস্তব্ধতার অভিমূখে—
যেন কোনো গোধূলির কাব্যলিপি
শূন্যে লিখে দিয়ে যায় অবাধ্য ডানায়।
সন্ধ্যায় নিভে আসে দিগন্তের তাম্রলিপি,
রাতের আকাশে নক্ষত্রের মৌন সংকেত।
হেমন্ত যেন এক মহাজাগতিক আত্মধ্যান,
যেখানে পাতা ঝরার শব্দে লিখে যায়
এক অনন্ত পুনর্বাসনের নিভৃত সুর।