প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
দুর্ভিক্ষ-ক্ষুধার কপালে কালো সূর্য, শূন্য গোলার অন্ধকার
ধানের বদলে উঠোনজুড়ে কঙ্কাল, মাটির বুকে অনাহারের নকশা
মায়ের চোখ-নিভে যাওয়া প্রদীপ, শিশুর মুখ-শুকনো নদীর চর
রুটির গন্ধ-দূর নক্ষত্র, ক্ষুধার বুক-অসীম মরুভূমি।
হাঁড়ির তলায় ছাই, চুলোর মুখে নির্বাক শোকের প্রতিমা
বাজার-মানবতার কসাইখানা, মুদ্রা-ক্ষুধার লোহার দরজা
ভাঙা কলসির পাশে একমুঠো চাল-চাঁদের ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ
রাজপথে বিলাসের রথ, গলিপথে মৃত্যুর কালো মিছিল।
কৃষকের পাঁজর-অনাবৃষ্টির ফেটে যাওয়া জমিনের মানচিত্র
ক্ষুধার্ত শিশুর চোখ-দুটি গভীর কূপ, তলানিতে অন্ধকার
আকাশজুড়ে মেঘের প্রাসাদ, অথচ মাঠজুড়ে ধূলির সাম্রাজ্য
দুর্ভিক্ষ-সভ্যতার মুখে ঝুলন্ত এক রক্তাক্ত আয়না।
শস্যগোলার প্রাচুর্য-মুষ্টিবদ্ধ মেঘের মতো নিষ্ঠুর নীরবতা
ক্ষুধার্ত মানুষের দীর্ঘশ্বাস-সমুদ্রের নিচে চাপা ভূমিকম্প
একটি রুটির গোলাকার শরীরে পৃথিবীর সমস্তত রাজনীতি
মানবতার থালায় আজও অনাহারের কালো অমাবস্যা।