
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে দাগনভূঞায় সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিকের আয়োজনে জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান হয়েছে। উপজেলার আতাতুর্ক মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গতকাল সোমবার প্রার্থীরা জনগণের মুখোমুখি হন ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমারের সঞ্চালনায় সুজন ফেনী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রার্থীদের মধ্যে জামায়াত জোটের প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ইসলামী আন্দোলনের মো. সাইফ উদ্দিন, বাসদের আবদুল মালেক, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবু নাছির ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. হাসান আহমদ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুজন সুশাসনের নাগরিক দাগনভূঞা উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. আবু তাহের, সোনাগাজী উপজেলা কমিটির সভাপতি শেখ আব্দুল হান্নান। প্রার্থীদের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন দাগনভূঞা উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল-মামুন। এ সময় প্রার্থীরা পাঁচ মিনিট করে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, জামায়াতে ইসলামী এরইমধ্যে ইশতেহার ঘোষণা করেছে। তিনটা বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। আমরা চাই দূর্ণীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে। শিক্ষার সংস্কারের মধ্য দিয়ে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলবো, এতে শুধু তারা ডিগ্রি অর্জন করবে না শুধু, তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে। তৃতীয়ত হলো সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করবো।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. সাইফ উদ্দিন শিপন বলেন, আমরা এককভাবে মাঠে আছি। আমি আপনাদের সর্বাত্মক ভালোবাসা চাই। আমরা আপনাদের জন্য একটা সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচারের জন্য কাজ করবো। পাশাপাশি সোনাগাজী ও দাগনভূঞার সব সমস্যা আপনাদের সঙ্গে বসে পরামর্শ করে সমাধান করবো। বাসদের প্রার্থী আবদুল মালেক বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে সংসদে জনগণের দাবি তুলে ধরবো এবং বাহিরে মাঠে থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। জনগণের যে দাবি তা তুলে ধরবো। ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী আবু নাছির বলেন, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা এই দুই উপজেলার সড়ক সংস্কারের ব্যবস্থা করবো, উন্নয়নে কাজ করবো। সংযোগ সড়কের বেহাল দশা দূর করা, শিক্ষার ও স্বাস্থ্য উন্নতি করা, বিধবা ও বয়স্ক ভাতা চালু করবো। সুবিধা বঞ্চিতদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবো আমরা। ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. হাসান আহমদ বলেন, মানবতার ও মানবিক রাষ্ট্র এবং বিশ্ব ব্যবস্থা চাই। আমরা মানবিক মানুষ তৈরি করতে চাই। অবকাঠামোর চেয়েও আমাদের আগামীতে মানবিক মানুষ তৈরি করাটা গুরুত্বপূর্ণ।