
বগুড়া জেলার তেলের পাম্পগুলোতে তেল সংকট ও তেল কিনতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যানবাহন মালিকরা।
বগুড়া জেলা প্রশাসন ঘোষণা দিয়েছে, হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র না থাকলে পাম্প থেকে তেল দেওয়া হবে না। নির্দেশ কার্যকর করেছে উপজেলা প্রশাসন। এতে বেকায়দায় পড়েছেন বাইকাররা।
কাহালু উপজেলার সাংবাদিক সোহেল জানান বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের ৪টি তেলের পাম্প ঘুরে কোথাও তেল পাননি যানবাহন মালিকরা। গত সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাইকার এমএ কাদের ৪টি পাম্প ঘুরে তেল না পেয়ে হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, উপজেলা প্রশাসন পাম্পে তেল থাকার কথা বললেও কোনো তেল পাইনি। শাজাহানপুর উপজেলার বনানীস্থ হক ফিলিং ষ্টেশনে তেল পাওয়ার পর আব্দুুস সালাম তুহিন নামের একজন শিক্ষক বলেছেন, তেল পেতে অনেক সময় লাইনে থাকতে হয়েছে। তবুও তেল পেয়ে খুশী। ধুনট উপজেলায় পেট্রল পাম্পগুলোতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফ উল্লাহ নিজামী সই করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উপজেলায় ২টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ডিপো থেকে পাম্পগুলোতে কী পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ হচ্ছে এবং তা যথাযথভাবে নির্ধারিত ফিলিং স্টেশনে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে তদারকি করবেন। সরকারের আশঙ্কা, কিছু ক্ষেত্রে জ্বালানি তেল ফিলিং স্টেশনে না গিয়ে অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। ট্যাগ অফিসারদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ফিলিং স্টেশনগুলোর জ্বালানি তেলের মজুদ যাচাই, বিক্রয় কার্যক্রমে কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ এবং অবৈধভাবে তেল সরবরাহের বিষয়টি প্রশাসনকে নিয়মিত অবহিত করা।