ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

চট্টগ্রামে কলেজছাত্রকে লিফটের গর্তে ফেলে হত্যার অভিযোগ

চট্টগ্রামে কলেজছাত্রকে লিফটের গর্তে ফেলে হত্যার অভিযোগ

নগরের চকবাজার থানাধীন ডিসি রোড এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদকে লিফটের গর্তে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতে মৌসুমি আবাসিক এলাকার একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভবনটির নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত আশফাক কবির বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায়। তিনি নগরের বাকলিয়া ডিসি রোড কবরস্থানের পাশের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত রোববার বিকালে আশফাককে তার বন্ধু ফারদিন হাসান মুঠোফোনে কল দিয়ে নগরের বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকায় ডেকে নেয়। সেখানে পৌঁছালে আইমন, অনিক, রানা, মাইকেল, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ একদল তরুণ তাকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তাদের হাত থেকে বাঁচতে আশফাক কাছের একটি নির্মাণাধীন ভবনে ঢুকে গেট বন্ধ করে আটতলায় উঠে যায়। একপর্যায়ে তাদের হাত থেকে বাঁচতে আশফাক কাছের একটি নির্মাণাধীন ভবনে ঢুকে গেট বন্ধ করে আটতলায় উঠে যায়। তবে হামলাকারীরা গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন। পরে তারা ওপরে গিয়ে আশফাককে মারধর করে এবং একপর্যায়ে আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আশফাককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চকবাজার থানার ওসি বাবুল আজাদ জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামিদের যত দ্রুত সম্ভব আইনের আওতায় আনা হবে। নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার জানান, তার ছেলে কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। তিনি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত