
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ২২ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা, একজন অসুস্থ হওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা এবং বাকী ৬ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গতকাল শুক্রবার ভোরে এসব তথ্য জানান অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
কোস্ট গার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যামাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুদা।
দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন- মো. ইউনুস, শামীম পাটোয়ারী, রিপন খান, হোসাইন হাওলানাদর, মো. রাকিব, আব্দুল করিম, ঈমান হাওলাদার, দুধু মাঝি, আনসার খান, দলিল মিজি, শাহীন হাওলাদার, হাসান হাওলাদার, হাবিব জমাদার, আবুল কাশেম, হারুন জামাদার, শাহজাহান পাটোয়ারী। এদের বাড়ি চাঁদপুর শহরের পুরান বাজার, দোকানঘর, সদরের বহরিয়া, লক্ষ্মীপুর ও ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে। সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সদরের অভয়াশ্রম এলাকায় মৎস্য বিভাগ, কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় জাটকা ধরার অপরাধে ২২ জেলেকে আটক করা হয়। একই সময় জব্দ করা হয় পাঁচটি মশারি জাল ও পাঁচটি মাছ ধরার নৌকা।
তিনি আরও বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক জেলেকে ৩ মাসের কারাদণ্ড, ৩ জনকে ২১ দিন করে কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, একজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, একজন ক্যান্সারের রোগী হওয়ায় তাকে ৫০০ টাকা জরিমানা এবং ১০ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করে। বাকি ৬ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।