ঢাকা শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

নকলায় সাড়ে ১০ হাজার পরিবারে পাচ্ছে টিসিবির পণ্য

নকলায় সাড়ে ১০ হাজার পরিবারে পাচ্ছে টিসিবির পণ্য

শেরপুরের নকলা উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের ১০ হাজার ৪৯৭টি পরিবারের মধ্যে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবির) ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৯৪২টি পরিবারের মধ্যে দিনব্যাপী টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হয়।

এ সময় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ডিলার মো. শহিদ মিয়া, তদারককারী কর্মকর্তা ও উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, ৫নং বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ, গ্রামপুলিশ মো. মুক্তার হোসেন, আব্দুল গফুর, মো. রূপচাঁন, ছাইদুল ইসলাম ও মাহবুর রহমানসহ ইউপি সদস্যরা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও সুবিধাভোগী পরিবারের অগণিত নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

টিসিবি ডিলার শহিদ মিয়া জানান, বরাদ্দকৃত টিসিবি পণ্যের প্রতিটি প্যাকেটে ৫ কেজি চাল, যার বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ১৫০ টাকা; ২ লিটার সয়াবিন তেল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ২০০ টাকা; ২ কেজি মসুর ডাল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ১২০ টাকা ও ১ কেজি চিনির বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ৭০ টাকা। এ হিসেব মতে সুবিধাভোগী প্রতি পরিবারকে ৫৪০ টাকার বিনিময়ে টিসিবি পণ্যের একটি করে প্যাকেজ ক্রয় করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য ক্রয় করতে পেরে দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের পরিবারের লোকজন খুশি। ১৫ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা) পণ্য চাহিদার তালিকা সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে উপজেলার মোট ১০ হাজার ৪৯৭টি পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীর আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে, পৌরসভার ২ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের মধ্যে ২২ ও ২৩ এপ্রিল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে বিক্রি করা হয়।

১নং গণপদ্দী ইউনিয়নের ৯৬৯টি পরিবারের মধ্যে ২৬ এপ্রিল বারইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ও ২নং নকলা ইউনিয়নের ৭৫০টি পরিবারের মধ্যে ২৮ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে পণ্য বিক্রি করা হবে। ৩নং উরফা ইউনিয়নের ১ হাজার ৬টি পরিবারের মধ্যে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে, ৪নং গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৬০৫টি পরিবারের মধ্যে ২৮ গৌড়দ্বার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিক্রি করা হবে।

৫নং বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ৯৪২টি পরিবারের মাঝে ২৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে, ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের ৭১৩টি পরিবারের মধ্যে ২৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে, টালকী ইউনিয়নের ৯২৬টি পরিবারের মধ্যে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে, ৮নং চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ৯৪৭টি পরিবারের মধ্যে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ও ৯নং চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ৮৮২টি পরিবারের মধ্যে ২৮ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য বিক্রি করার কথা রয়েছে।

তবে এসব তারিখ চালের ডিও তৈরি করতে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে দেওয়া হয়। অন্যান্য পণ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে সুবিধাজনক দিন তারিখে ডিলাররা পণ্য বিক্রি করেন বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন শামীমসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে জানান।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত